News

মমতা যুগের অবসান – পশ্চিমবঙ্গে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

দীর্ঘদিন কেউ জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পারে না। অনেক ভালো কজ করা সত্বেও, অনেক জনপ্রিয় ব্যক্তিরও চারপাশের লোকজন, আত্মীয়স্বজনদের কারণে নিজের জনপ্রিয়তায় ধস নামে। ইতোপূর্বে এর উদাহরণ অনেক আছে। মমতা ব্যানার্জিও তেমনই এক চরিত্র। রাজনীতিতে তার অবদান কম নয়। আজ তাকে উদ্যেশ্য করা বলা হচ্ছে “আপদ বিদায়”! অবশ্য শেষদিকে এসে এক বিরক্তিকর চরিত্রে পরিণত হন মমতা। […]

মমতা যুগের অবসান – পশ্চিমবঙ্গে নতুন অধ্যায়ের সূচনা Read More »

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প: ইতিহাস, বাস্তবতা ও বাংলাদেশের জ্বালানি ভবিষ্যৎ

বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের কাতারে যুক্ত হয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শুধু একটি অবকাঠামো নয়—এটি দীর্ঘ পরিকল্পনা, রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতার একটি সম্মিলিত ফল। বাংলাদেশ বিশ্বে ৩৩ তম পারমানবিক জ্বালানি ব্যবহারকারী দেশ। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ধারণা নতুন নয়। ১৯৬১ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার প্রথম এই এলাকায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প: ইতিহাস, বাস্তবতা ও বাংলাদেশের জ্বালানি ভবিষ্যৎ Read More »

পৃথিবীর হারিয়ে যাওয়া ভাষাঃ পৃথিবীতে এমনও ভাষা আছে যা কেউ উচ্চারণ করতে পারে না

মৃত ভাষা ও হারানো উচ্চারণ ভাষা শুধু শব্দের সমষ্টি নয়—এটি একটি সময়, একটি সমাজ ও একটি চিন্তার জগতের জীবন্ত প্রতিফলন। কিন্তু পৃথিবীতে এমন অনেক ভাষা আছে, যেগুলো আজ “মৃত ভাষা” হিসেবে পরিচিত—অর্থাৎ, যেগুলোর আর কোনো জীবিত বক্তা নেই। এর থেকেও বেশি বিস্ময়কর বিষয় হলো, এসব ভাষার অনেকগুলোর সঠিক উচ্চারণ আজ আর কেউ জানে না। ফলে

পৃথিবীর হারিয়ে যাওয়া ভাষাঃ পৃথিবীতে এমনও ভাষা আছে যা কেউ উচ্চারণ করতে পারে না Read More »

বৈচিত্র্যের দেশ ভারত: ভাষা, জাতি ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনভূমি

ভারতবর্ষ—দক্ষিণ এশিয়ার এক বিশাল ভূখণ্ড। ভারত শুধু একটি রাষ্ট্র নয়, এটি একটি জীবন্ত সভ্যতার ধারক। এখানে একই সঙ্গে শত শত ভাষা, নানা ধর্ম এবং অসংখ্য নৃগোষ্ঠীর সহাবস্থান। এই বহুত্বই ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি, আবার অনেক সময় চ্যালেঞ্জও। কিন্তু এই বৈচিত্র্যের ইতিহাস ও বাস্তবতা অনেকের কাছেই পুরোপুরি পরিচিত নয়। নৃগোষ্ঠীর বৈচিত্র্য: “Scheduled Tribes” ও আদিবাসী পরিচয়

বৈচিত্র্যের দেশ ভারত: ভাষা, জাতি ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনভূমি Read More »

বাংলাদেশে নতুন সরকারের ‘দৌড়ঝাঁপ’ শুরু

স্থিতিশীলতা, অর্থনীতি ও রাজনীতির ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জ ০৫ আগস্ট ২০২৪, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশের ঘাড়ে চেপে থাকা তথনাকথিত অন্তর্বর্তীকালিন সরকার অবশেষে ১৮ মাস পর বাংলাদেশের বৃহত্তম দল, স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামীলীগকে বাইরে রেখে একটি এক তরফা নির্বাচনের ব্যবস্থা করে। নির্বাচনে যে দলকে দ্বিতীয় দল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে সেই জামাতে ইসলামী কোনোদিন সংসদে

বাংলাদেশে নতুন সরকারের ‘দৌড়ঝাঁপ’ শুরু Read More »

৮ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর থেকে আসা ‘মেগা-লেজার’ সংকেত: মহাবিশ্বের এক বিস্ময়কর বার্তা

সম্প্রতি The Times of India-তে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এমন একটি বিস্ময়কর আবিষ্কারের কথা জানিয়েছেন, যা মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের ধারণাকেই নতুন করে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। তারা শনাক্ত করেছেন এক শক্তিশালী “মেগা-লেজার” বা মহাজাগতিক লেজার সদৃশ সংকেত প্রায় ৮ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর থেকে পৃথিবীতে পৌঁছেছে—এবং সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, এত দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেও

৮ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূর থেকে আসা ‘মেগা-লেজার’ সংকেত: মহাবিশ্বের এক বিস্ময়কর বার্তা Read More »

ধ্বংসস্তূপের মাঝেও ক্ষমতার নির্মমতা

ভোলার ঘূর্ণিঝড়, ইয়াহিয়ার উদাসীনতা এবং একটি রাষ্ট্রের নৈতিক পতনের দলিল ১৯৭০ সালের ভয়াবহ ভোলা ঘূর্ণিঝড় শুধু একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছিল না; এটি ছিল শাসকগোষ্ঠীর নির্মম উদাসীনতার এক নগ্ন প্রতিচ্ছবি। লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যু, অসংখ্য পরিবারের নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া—সবকিছুর মাঝেও পাকিস্তানি সামরিক জান্তার আচরণ ইতিহাসে এক গভীর প্রশ্নচিহ্ন হয়ে আছে। দৈনিক দৈনিক বণিক বার্তা-এ প্রকাশিত একটি

ধ্বংসস্তূপের মাঝেও ক্ষমতার নির্মমতা Read More »

পলাশীর ১০ বিশ্বাসঘাতকের মর্মান্তিক, করুন শেষ পরিণতি

ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করেনা পলাশীর যুদ্বে বেইমানি করে ব্রিটিশদের হাতে বাংলা তুলে দিয়েছিল যারা, তাদের একজনও শান্তিতে মরতে পারেনি। ক্ষণিকের জন্য মসনদ পেয়েছিল ঠিকই, কিন্তু পেয়েছিল আরও ভয়ংকর কিছু অভিশাপ। তাদের ১০ জনেরই কুষ্ঠরোগ, আত্মহত্যা, বজ্রপাত, গঙ্গার জলে ডুবে মৃত্যু, ইত্যাদি কী জোটেনি তাদের কপালে! তারা হলেনঃ (১)  রবার্ট ক্লাইভ (২)  মীর জাফর (৩)  মীরন

পলাশীর ১০ বিশ্বাসঘাতকের মর্মান্তিক, করুন শেষ পরিণতি Read More »

বাংলা সনের উৎপত্তি: শশাঙ্ক না আকবর—ইতিহাসের গভীরে এক অনুসন্ধান

বাংলা সনের উৎপত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। একদিকে মুঘল সম্রাট আকবর-এর নাম জড়িয়ে আছে, অন্যদিকে বাংলার প্রাচীন স্বাধীন শাসক শশাঙ্ক-এর সময়কালকে অনেকেই মূল উৎস হিসেবে মনে করেন। এই দুই ধারনার মধ্যে কোনটি বেশি গ্রহণযোগ্য—তা বুঝতে হলে আমাদের ইতিহাস, যুক্তি ও বাস্তবতার আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করতে হবে। সম্রাট আকবর বাংলা সন গণনা শুরু করেন ১৫৫

বাংলা সনের উৎপত্তি: শশাঙ্ক না আকবর—ইতিহাসের গভীরে এক অনুসন্ধান Read More »

দ্বিজাতি তত্ত্ব থেকে রাষ্ট্রনীতি: জিন্নাহর রাজনীতি ও ব্যক্তিজীবনের বৈপরীত্য

কায়েদে আযম জিন্নাহ: আদর্শ, রাজনীতি ও ব্যক্তিগত বাস্তবতার দ্বন্দ্ব ইতিহাসের কিছু চরিত্রকে একমাত্রিকভাবে বোঝা যায় না। মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ঠিক তেমনই এক ব্যক্তি—যার রাজনৈতিক অবস্থান ও ব্যক্তিগত জীবন একে অপরের সঙ্গে প্রায়শই সাংঘর্ষিক মনে হয়। একদিকে তিনি দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা, অন্যদিকে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ছিল ধর্মীয় সীমারেখা অতিক্রমকারী। এই দ্বৈততা বুঝতে পারলেই জিন্নাহকে নতুনভাবে দেখা

দ্বিজাতি তত্ত্ব থেকে রাষ্ট্রনীতি: জিন্নাহর রাজনীতি ও ব্যক্তিজীবনের বৈপরীত্য Read More »

বাকশাল: ইতিহাস না জেনে “বকবক”—একটি প্রেক্ষাপটভিত্তিক বিশ্লেষণ

শেখ মুজিবুর রহমান-কে বিচার করতে হলে আগে তার সময়টাকে বুঝতে হবে। আজকের ২০২৬ সালের বাস্তবতা দিয়ে ১৯৭২–৭৫ সালের বাংলাদেশকে মাপতে গেলে ভুল হবেই। কারণ স্বাধীনতার পরের বাংলাদেশ ছিল একটি ভেঙে পড়া রাষ্ট্র। অর্থনীতি ধ্বংস, প্রশাসন অকার্যকর, যুদ্ধবিধ্বস্ত অবকাঠামো, দুর্ভিক্ষ, চোরাচালান, যুদ্ধে হেরে যাওয়া বিশ্বের এক নম্বর পরাশক্তি ও প্রতিপক্ষ পাকিস্তানের চক্রান্তে গঠিত এদেশীয় প্রতিবিপ্লবী দ্বারা

বাকশাল: ইতিহাস না জেনে “বকবক”—একটি প্রেক্ষাপটভিত্তিক বিশ্লেষণ Read More »

শুধু সুরের রাজা নন, মানবতারও এক অনন্য নাম: জগজিৎ সিং

ভারতীয় গজলের ইতিহাসে জগজিৎ সিং একটি কিংবদন্তির নাম। তাঁর কণ্ঠে গাওয়া ‘হোঁঠোঁ সে ছুঁ লো তুম’, ‘তুম ইতনা যো মুসকুরা রহে হো’, ‘চিঠি না কোই সংবাদ’ কিংবা ‘ঝুঁকি ঝুঁকি সি নজর’ আজও কোটি মানুষের হৃদয়ে একইরকমভাবে বেঁচে আছে। কিন্তু তাঁর পরিচয় কেবল একজন গজল শিল্পী হিসেবে সীমাবদ্ধ ছিল না। আলো-ঝলমলে মঞ্চের আড়ালে তিনি ছিলেন এক

শুধু সুরের রাজা নন, মানবতারও এক অনন্য নাম: জগজিৎ সিং Read More »

‘দ্য লাস্ট ডেজ অব ইউনাইটেড পাকিস্তান’-এর আলোকে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় শেখ মুজিবের কৌশলী ভূমিকা

জি. ডব্লিউ. চৌধুরীর বই ‘The Last Days of United Pakistan’ পাকিস্তানের শেষ সময়ের ভেতরের রাজনৈতিক সংকট, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বের ভুল এবং পূর্ব বাংলার আন্দোলন কীভাবে স্বাধীনতার দিকে গিয়েছিল—তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। লেখক নিজে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ক্ষমতার খুব কাছাকাছি ছিলেন। ফলে তিনি শুধু বাইরের ঘটনা লেখেননি- ভেতরের বৈঠক, নেতাদের মনোভাব, ভুল সিদ্ধান্ত এবং

‘দ্য লাস্ট ডেজ অব ইউনাইটেড পাকিস্তান’-এর আলোকে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় শেখ মুজিবের কৌশলী ভূমিকা Read More »

পাকিস্তানের ‘২০ দিনের প্রেসিডেন্ট’ মীর জাফরের বংশধর ইস্কান্দার মির্জা: প্রেসিডেন্ট থেকে লন্ডনের হোটেলকর্মী

পাকিস্তানের ইতিহাসে ইস্কান্দার মির্জা এমন এক চরিত্র, যাকে একদিকে পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট বলা হয়, অন্যদিকে তাকে পাকিস্তানের গণতন্ত্র ধ্বংসের প্রথম স্থপতি হিসেবেও দেখা হয়। তিনি ছিলেন পাকিস্তানের শেষ গভর্নর জেনারেল, প্রথম প্রেসিডেন্ট, সামরিক শাসনের সূচনাকারী এবং একই সঙ্গে নিজেরই ডাকা সেনাবাহিনীর হাতে অপমানজনকভাবে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া এক শাসক। তার জীবন যেন একটি পূর্ণ বৃত্ত—বংশগত ক্ষমতা, প্রশাসনিক

পাকিস্তানের ‘২০ দিনের প্রেসিডেন্ট’ মীর জাফরের বংশধর ইস্কান্দার মির্জা: প্রেসিডেন্ট থেকে লন্ডনের হোটেলকর্মী Read More »

বঙ্গভঙ্গ: একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নাকি ইতিহাস বদলে দেয়া রাজনৈতিক পদক্ষেপ?

ইতিহাসে কিছু সিদ্ধান্ত থাকে যেগুলো নেওয়ার মুহূর্তে ছোট প্রশাসনিক পদক্ষেপ মনে হলেও, পরে দেখা যায় সেগুলো একটি অঞ্চলের ভবিষ্যৎকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। বাংলার ক্ষেত্রে তেমনই একটি ঘটনা হলো “বঙ্গভঙ্গ”। অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, এই সিদ্ধান্ত কেবল প্রশাসনিক নয়—বরং ছিল একটি গভীর রাজনৈতিক কৌশল, যার প্রভাব আজও দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে অনুভূত হয়। ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ ভারতের

বঙ্গভঙ্গ: একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নাকি ইতিহাস বদলে দেয়া রাজনৈতিক পদক্ষেপ? Read More »

একটি গ্রাম যেখানে একই দিনে মারা যায় গ্রামের সব লোক

ইউরোপের ইতিহাসে এমন একটি ঘটনা আছে, যেখানে একটি গ্রামের প্রায় সব মানুষ একই দিনে প্রাণ হারায়। ঘটনাটি ঘটে ফ্রান্স-এর একটি ছোট গ্রাম ‘ওরাডোর-সুর-গ্লেন’ (Oradour-sur-Glane)-এ। এই ঘটনাটি ইতিহাসে পরিচিত ‘ওরাডোর-সুর-গ্লেন ম্যাসাকার’ নামে। শান্ত একটি গ্রাম, হঠাৎ মৃত্যুর ছায়াঃ ১৯৪৪ সালের ১০ জুন। তখন ইউরোপ জুড়ে চলছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। ‘ওরাডোর-সুর-গ্লেন’ ছিল একটি শান্ত গ্রাম। ছোট দোকান, চার্চ,

একটি গ্রাম যেখানে একই দিনে মারা যায় গ্রামের সব লোক Read More »

পৃথিবীতে এখন কতটি পারমাণবিক অস্ত্র আছে—এক নজরে ভয়ংকর বাস্তবতা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে হিরোশিমা এবং নাগাসাকির পারমাণবিক বোমা হামলা মানব সভ্যতাকে প্রথম দেখায় পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়াবহ শক্তি। সেই সময় ব্যবহৃত বোমা ছিল তুলনামূলকভাবে ছোট। কিন্তু গত ৭০–৮০ বছরে বিশ্বের বড় শক্তিগুলো এমন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেছে যা একটি শহর নয়—একটি পুরো অঞ্চল ধ্বংস করতে পারে। আজ পৃথিবীতে ঠিক কতটি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে? সংখ্যাটি শুনলে

পৃথিবীতে এখন কতটি পারমাণবিক অস্ত্র আছে—এক নজরে ভয়ংকর বাস্তবতা Read More »

পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হলে পৃথিবীতে কী ঘটবে—প্রথম ২৪ ঘণ্টার সম্ভাব্য ভয়াবহ চিত্র

মানবসভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর সম্ভাব্য ঘটনা হলো পারমাণবিক যুদ্ধ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে পৃথিবীর বড় শক্তিগুলো এমন অস্ত্র তৈরি করেছে যা কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুরো শহর ধ্বংস করে দিতে পারে। ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা এবং নাগাসাকির পারমাণবিক বোমা হামলা মানবজাতিকে প্রথম দেখিয়েছিল এই অস্ত্রের ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা। কিন্তু আজকের পারমাণবিক অস্ত্র তখনকার তুলনায় শতগুণ শক্তিশালী। যদি সত্যিই

পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হলে পৃথিবীতে কী ঘটবে—প্রথম ২৪ ঘণ্টার সম্ভাব্য ভয়াবহ চিত্র Read More »

ডুমসডে প্লেনঃ পারমানবিক যুদ্ধকালিন সময়ে আকাশে ভেসে থেকে দেবে যুদ্ধের নির্দেশনা

পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর পরিস্থিতি কল্পনা করলে একটি দৃশ্য সামনে আসে—পারমাণবিক যুদ্ধ। শহর ধ্বংস হচ্ছে, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, সরকার অচল হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও কিছু দেশ এমন ব্যবস্থা করে রেখেছে যাতে রাষ্ট্র পরিচালনা থেমে না যায়। এই কারণেই তৈরি হয়েছে এক বিশেষ ধরনের বিমান—ডুমসডে প্লেন (Doomsday plane)। সবচেয়ে পরিচিত এই বিমান হলো

ডুমসডে প্লেনঃ পারমানবিক যুদ্ধকালিন সময়ে আকাশে ভেসে থেকে দেবে যুদ্ধের নির্দেশনা Read More »

রাডারের একটি ভুল রিপোর্টে পারমাণবিক যুদ্ধ প্রায় শুরু হয়ে যাচ্ছিলো

সোভিয়েত রাডার বিভ্রান্তি ও স্ট্যানিস্লাভ পেট্রোভঃ একজন কর্মকর্তার ঠান্ডা মাথার সিদ্ধান্ত বিশ্বকে পারমাণবিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছিলো। ১৯৮৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর। শীতল যুদ্ধ তখন তুঙ্গে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র, অন্যদিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন। দুই পরাশক্তির মধ্যে অবিশ্বাস, উত্তেজনা ও পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা চরমে। সে রাতে সোভিয়েত আগাম সতর্কতা কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্ট্যানিস্লাভ পেট্রোভ (Stanislav Petrov)। হঠাৎ

রাডারের একটি ভুল রিপোর্টে পারমাণবিক যুদ্ধ প্রায় শুরু হয়ে যাচ্ছিলো Read More »

Scroll to Top