এক বর, তিন কনে: একসঙ্গে তিন বোনকে বিয়ে, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে ভারতে তুমুল আলোচনা

ভারতের উত্তরপ্রদেশের আমরোহা জেলায় এক ব্যতিক্রমী বিয়ে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এক যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন তিন তরুণী। ভিডিওতে দেখা যায়, হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুসারে একই মণ্ডপে তিন কনে ও এক বরকে নিয়ে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হচ্ছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর অনেকেই প্রথমে এটিকে সোশ্যাল মিডিয়ার কনটেন্ট ভেবেছিলেন। পরে বর ও তিন […]

ফেসবুকে আসছে ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ! ভিডিও সেলফি দিলেই মিলবে পরিচয় যাচাই, যেভাবে পাবেন

নীল রঙের ভেরিফায়েড ব্যাজ বা ব্লু টিক দীর্ঘদিন ধরেই ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছে আস্থার প্রতীক। এতদিন সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ভেরিফায়েড ব্যাজ পেতে হলে Meta Verified-এর মাসিক সাবস্ক্রিপশন নিতে হতো। তবে এবার সেই চিত্রে পরিবর্তন আনছে মেটা। প্রতিষ্ঠানটি Facebook Verified নামে একটি নতুন বিনামূল্যের পরিচয় যাচাইকরণ ব্যবস্থা চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কোনো অর্থ পরিশোধ

মোবাইল ফোন দিয়ে সনাক্ত করুন গোপন ক্যামেরা

হোটেলকক্ষ বা যেখানেই হোক, মোবাইল দিয়েই শনাক্ত করে নিন কক্ষে গোপন ক্যামেরা আছে কিনা বর্তমান সময়ে ভ্রমণের সময় হোটেল, রিসোর্ট, গেস্টহাউস বা ভাড়া করা অ্যাপার্টমেন্টে অবস্থান করা খুবই সাধারণ বিষয়। তবে প্রযুক্তির অপব্যবহারের কারণে কোথাও কোথাও গোপন ক্যামেরা বসিয়ে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠে। আজকাল হোটেলে অবস্থানরত স্বামী-স্ত্রীর গোপনীয় মুহুর্তের ভিডিও বিভিন্ন পর্ণ সাইটে বিক্রি

বাংলার এক সময়ের রাজকীয় বাহন ‘পালকি’ এখন বিস্মৃতির অতলে

আভিজাত্যের বাহন পালকির অজানা ইতিহাস: বেহারা, বিহারী ও হারিয়ে যাওয়া এক পেশার গল্প এক সময় বাংলার গ্রাম-গঞ্জে কিংবা শহরের জমিদারবাড়িতে পালকি ছিল আভিজাত্য, মর্যাদা ও ঐতিহ্যের প্রতীক। বিয়ের শোভাযাত্রা, জমিদারের সফর, সম্ভ্রান্ত নারীদের যাতায়াত কিংবা দূরপাল্লার ভ্রমণ—সব ক্ষেত্রেই পালকির ছিল একচ্ছত্র আধিপত্য। আজ সেই পালকি আর নেই। জাদুঘর, লোকসংস্কৃতির প্রদর্শনী কিংবা লোককথার পাতায় তার অস্তিত্ব

ধর্মচিন্তাঃ সূরা আত-তাওবার ৫ নম্বর আয়াত — প্রেক্ষাপট, ব্যাখ্যা ও অপব্যাখ্যা

সূরা আত-তাওবার ৫ নম্বর আয়াতকে অনেক সময় “আয়াতুস সাইফ” (তলোয়ারের আয়াত) বলা হয়। এটি ইসলামের সবচেয়ে বেশি উদ্ধৃত—এবং সবচেয়ে বেশি প্রসঙ্গবিচ্ছিন্নভাবে ব্যবহার করা—আয়াতগুলোর একটি। এই আয়াতকে আলাদা করে উদ্ধৃত করলে মনে হতে পারে যে ইসলাম সব অমুসলিমকে হত্যা করতে বলেছে। কিন্তু পুরো সূরা, নাযিলের প্রেক্ষাপট এবং আগের-পরের আয়াত পড়লে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। আয়াত (অর্থ)

জাতীয় রক্ষীবাহিনী: রাষ্ট্র রক্ষার প্রয়াস, বিতর্ক ও ইতিহাসের কঠিন বাস্তবতা

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরবর্তী ইতিহাসে এমন কিছু বিষয় আছে, যেগুলো নিয়ে আবেগ, রাজনীতি ও বিতর্ক এত গভীরভাবে জড়িয়ে আছে যে সেখানে সত্য ও প্রচারের সীমারেখা অনেক সময় অস্পষ্ট হয়ে যায়। জাতীয় রক্ষীবাহিনী নিয়ে বিতর্ক তার অন্যতম উদাহরণ।  স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে রক্ষীবাহিনী ছিল রাষ্ট্রের সবচেয়ে আলোচিত, সবচেয়ে সমালোচিত এবং একই সঙ্গে সবচেয়ে

৪৫ বছর পর জিয়া হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত মেজর (বহি:) মোজাফফর হোসেন গ্রেফতার: জিয়া হত্যার তদন্ত, বিচার ও অমীমাংসিত প্রশ্ন

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৮১ সালের ৩০ মে একটি অত্যন্ত আলোচিত ও বিতর্কিত দিন। সেদিন চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তার হামলায় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। ঘটনার পর দেশজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক ধরপাকড়, সামরিক বিচার এবং দ্রুত বিচারের প্রক্রিয়া। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে যতটা বিচার হয়েছে, তার চেয়েও বেশি বিতর্ক হয়েছে তদন্ত, বিচারপ্রক্রিয়া এবং

মহাকাশে আয়না স্থাপন করে চব্বিশ ঘন্টা সূর্যের আলো আহরণের চিন্তাঃ রাত হবে দিনের মতো!

কল্পবিজ্ঞানের গল্পে এমন দৃশ্য আমরা অনেকবার দেখেছি—মহাকাশে বিশাল একটি আয়না বসানো হয়েছে, যা সূর্যের আলো পৃথিবীর নির্দিষ্ট অঞ্চলে প্রতিফলিত করে রাতকেও দিনের মতো আলোকিত করে রাখছে। কিন্তু এবার সেই ধারণাই বাস্তবের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র একটি বেসরকারি মহাকাশ কোম্পানিকে কক্ষপথে পরীক্ষামূলক প্রতিফলক (মিরর) স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে। প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো সূর্যের আলোকে

বেলুচিস্তান: যে স্বাধীনতার সংগ্রাম বিশ্ববিবেকের আলোচনায় খুব কমই আসে

বিশ্ব রাজনীতিতে কিছু সংঘাত প্রতিদিন শিরোনাম হয়, আবার কিছু সংগ্রাম দশকের পর দশক ধরে চললেও আন্তর্জাতিক আলোচনায় খুব কম জায়গা পায়। বেলুচিস্তান প্রশ্নটি এমনই একটি বিষয়। কেউ একে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বলে দেখেন, কেউ আবার পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রশ্ন হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। কিন্তু একটি বাস্তবতা অস্বীকার করা কঠিন—বেলুচিস্তানের ইতিহাস নিয়ে সাধারণ মানুষের জানাশোনা

রাজবাড়ী জেলার গর্ব অভিনয় শিল্পী সোহানা সাবা: চলচ্চিত্রে ২২ বছরের পথচলা

সোহানা সাবা। পুরা নাম – শারমিন সোহানা সাবা। গত ০৮ জুলাই ছিলো সোহানা সাবা’র চলচ্চিত্রে পথচলার ২২ বছর পূর্তি। ২০০৪ সালের এইদিনে ‘আয়না’ ছবির শুটিং ফ্লোরে প্রথম পা রেখেছিলেন তিনি। তখনও জানতেন না, অভিনয়ের এই যাত্রা একদিন বাঙালি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে উজ্জ্বল একটি অধ্যায় হয়ে উঠবে। সেই তরুণী আজ ‘সোহানা সাবা’—একটি নাম নয়, একটি প্রতিষ্ঠান, একটি

রেমন্ড জোন্ডো দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বিচারপতি হয়ে ওঠার পেছনে ছিলো এক মুদি দোকানদারের মহানুভবতা

“পৃথিবীব্যাপী সুলেমান বালিয়াদের মতো মানুষরা আছেন বলেই মানবতা আজও টিকে আছে।“ পৃথিবীতে কিছু মানুষ আসেন যাঁরা প্রতিকূলতার পাহাড় ডিঙিয়ে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছান। আবার কিছু মানুষ থাকেন যাঁরা নিঃশব্দে অন্যের সাফল্যের পথ তৈরি করে দেন। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান বিচারপতি রেমন্ড জোন্ডো এবং একজন সাধারণ ভারতীয় মুদি দোকানদারের কাহিনীটি ঠিক তেমনই এক নিঃস্বার্থ মানবতা এবং কৃতজ্ঞতার অনন্য

ঢাকার জেলায় টাকার জোরে, মরা মানুষ খাড়া করে

ছোটোবেলায় ক্যারম খেলার খুব নেশা ছিলো। প্রায় প্রতিদিন স্থানীয় প্রাথমিক স্কুলের বারান্দায়, আরো পরে কারো বাড়িতে ক্যারম খেলার আড্ডা জমতো – যা স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরুর পরও দুইতিন মাস চালু ছিলো। গ্রামের সমবয়সী ও সহপাঠী এক বন্ধু (বর্তমানে প্রয়াত) খেলার ফাঁকে ফাঁকে একটা চটুল বাক্য প্রায়ই উচ্চারণ করতো, “ঢাকার জেলায় টাকার জোরে, মরা মানুষ খাড়া করে”। বাক্যটি

‘ঢাকায় ৫২ বাজার ৫৩ গলি’র ইতিহাস

আসলে কি ৫২টি বাজার, নাকি বাজার-নামযুক্ত ৫২টি স্থানের নাম? বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ—“ঢাকায় ৫২ বাজার ৫৩ গলি।” শত শত বছর ধরে এই কথাটি মানুষের মুখে মুখে ফিরছে। কিন্তু এর প্রকৃত অর্থ কী? সত্যিই কি একসময় ঢাকায় ৫২টি বাজার ও ৫৩টি গলি ছিলো, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা? এই প্রশ্নের উত্তর

কুসুমে রক্তের দাগ থাকলে ডিম খাবেন, নাকি ফেলে দেবেন?

ডিম ভাঙার পর অনেক সময় কুসুমের ওপর ছোট লাল বা বাদামি রঙের একটি দাগ দেখা যায়। এটি দেখে অনেকেই মনে করেন ডিমটি নষ্ট, নিষিক্ত, অথবা এতে বাচ্চা হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আসলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ধারণাগুলো সঠিক নয়। রক্তের দাগ কেন হয়? মুরগির ডিম্বাশয় থেকে ডিম তৈরি হওয়ার সময় কখনও কখনও খুব ছোট একটি রক্তনালি ফেটে

ধর্মচিন্তা । একজন প্রকৃত মুসলমানের বৈশিষ্ট

আমরা সবাই ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি, “আল্লাহর আইন চাই, কোরআনের শাসন চাই” শ্লোগান দিয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষদের বোকা বানাই। বাস্তবে নিজেরা কোরআনের আইন যথাযথ অনুসরণ করি কিনা, ভেবে দেখি না। মুসলমানরা যদি ইসলাম ধর্মের রীতি-নীতি অনুসরণ করে চলতো, কোরআনে বর্ণিত আল্লাহর আদেশ-নিষেধ শতভাগ পালন করতো, তাহলে কোনো মুসলিম দেশে থানা-পুলিশ কোর্ট-কাছারি কিছুই লাগতো না। সে দেশের

২০৩০ সালে কি আবার সেই ধ্বংসযজ্ঞ হবে? শত বছর আগের রহস্য কি সত্যিই কোনো ইঙ্গিত দিচ্ছে?

মানুষের ইতিহাসে এমন কিছু ঘটনা আছে, যা সময় পেরিয়ে গেলেও মানুষের কৌতূহল জাগিয়ে রাখে। যুদ্ধ, মহামারি, দুর্ভিক্ষ, অর্থনৈতিক বিপর্যয়—এসব ভয়াবহ অভিজ্ঞতা থেকে মানুষ ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা আশঙ্কা করে। আর যখন কোনো পুরোনো ঘটনা বা ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে নতুন সময়ের মিল খুঁজে পাওয়া যায়, তখন জন্ম নেয় নানা রহস্য ও জল্পনা। সম্প্রতি ২০৩০ সালকে ঘিরে বিভিন্ন আলোচনা

ধর্মচিন্তা । পরণীন্দা মহাপাপঃ পরনিন্দাকারী নিক্ষিপ্ত হবে জ্বলন্ত অগ্নিকুন্ডে

ছোটকালে বাবার সাথে বাজারে গেলে বাবা এক দর্জির দোকানে বসিয়ে রেখে কেনাকাটা করতেন। দর্জির দোকানদার ছিলেন একজন বয়স্ক ও সাধু প্রকৃতির সৎলোক। তিনি খুব মিশুকও ছিলেন। সবাই তাকে খুব পছন্দ করতো এবং সম্মানের চোখে দেখতো। অন্যান্য দর্জির দোকানে তেমন বসার আসন না থাকলেও তার দোকানে বেশকিছু লোকের বসার ব্যবস্থা ছিল। তিনি হিন্দু ধর্মের ছিলেন নাকি

ধর্মচিন্তা । কোরআন বলছে ইহুদি, খ্রিষ্টান, সাবেইনরাও বেহেশতে যাবে

আমরা রাতদিন ইহুদি, নাসারা, অমুক, তমুক বলে গালাগালি করি – ওয়াজের মাঠ গরম করি আর বলি মুসলিম ছাড়া কেউ বেহেশতে যাবে না! কিন্তু কোরআন বলছে ভিন্ন কথা। পবিত্র কোরআনের সূরা বাকারা আয়াত নং ৬২ এর মাধ্যমে আল্লাহ পরিষ্কার বলছেন; “যারা ইহুদি, খ্রিস্টান ও সাবিয়ান (সাবিয়ান বা সাবেইন বলতে অগ্নিপুজক বা অন্যান্য পুরাতন ধর্ম হতে পারে)-যে

ধর্মচিন্তা । প্রাচীন ইনকা ধর্ম, মিশরীয় ধর্ম ও গ্রিক ধর্ম: একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ

মানবসভ্যতার ইতিহাসে প্রাচীন মিশর, গ্রিস ও ইনকা—এই তিনটি সভ্যতা ভিন্ন ভিন্ন মহাদেশে গড়ে উঠলেও তাদের ধর্মীয় চিন্তায় কিছু আশ্চর্য মিল দেখা যায়। তিনটি ধর্মই প্রকৃতি, মহাবিশ্ব, জীবন-মৃত্যু এবং মানুষের অস্তিত্বের ব্যাখ্যা খোঁজার চেষ্টা করেছে। ১. দেবতার ধারণা ইনকা ধর্ম ইনকারা বহু দেবতায় বিশ্বাস করতো। তাদের প্রধান দেবতা ছিল ইন্তি (Inti)—সূর্য দেবতা। তারা মনে করতো সূর্যই

ধর্মচিন্তা । প্রাচীন ইনকা ধর্মঃ প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ দেবতা সূর্য্য

প্রাচীন ইনকা ধর্ম ছিল দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালায় গড়ে ওঠা ইনকা সম্রাট–এর প্রধান ধর্মীয় বিশ্বাস ব্যবস্থা। এটি মূলত প্রকৃতি, সূর্য এবং পূর্বপুরুষ পূজার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিলো। মূল বিশ্বাস ইনকা ধর্মে একক সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের ধারণা ছিলো না, বরং বহু দেবতার পূজা করা হতো। তাদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন সূর্যদেব ‘ইন্তি’। ইনকা সম্রাটকে ইন্তির “পুত্র”

ধর্মচিন্তা । প্রাচীন মিশরীয় ধর্মঃ  পিরামিড ও মমি তৈরির রহস্যময় ইতিহাস

প্রাচীন মিশরীয় ধর্ম ছিলো বিশ্বের অন্যতম পুরনো ও জটিল ধর্মীয় বিশ্বাসব্যবস্থা। এটি শুধু দেব-দেবীর পূজা নয়, বরং পুরো জীবন, রাজনীতি, মৃত্যু ও পরকাল—সবকিছুর সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিল। প্রাচীন মিশরীয় ধর্ম গড়ে উঠেছিলো নীল নদের তীরে থাকা সভ্যতা মিশরে। তারা বহু দেবতার (polytheism) উপাসনা করতো। প্রতিটি দেবতা ছিলো প্রকৃতির কোনো শক্তি বা জীবনের বিশেষ দিকের প্রতীক।

ধর্মচিন্তা । ভারতে হিন্দু-মুসলিম সহাবস্থান ও মিশ্র ধর্মীয় পরিবারের এক অনন্য উপাখ্যান

ভারতের গ্রামীণ জনপদে ধর্মীয় পরিচয়ের গণ্ডি অনেক সময় এতোটাই অস্পষ্ট হয়ে যায় যে, সেখানে মানুষ নিজেদেরকে না হিন্দু, না মুসলিম – নিজ বলয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালন করলেও মানুষ হিসেবেই নিজেদের পরিচয় দিতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। শুধু ধর্মীয় সহিষ্ণুতা নয়, এটি এক গভীর সাংস্কৃতিক সমন্বয়বাদ। ফলে শতাব্দী প্রাচীন সামাজিক সহাবস্থানের ইতিহাস, আত্মীয়তা ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতার

ধর্মচিন্তা । সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল মেলবন্ধন পশ্চিমবঙ্গের মঙ্গলকোটঃ যেখানে পীর-পূজায় হিন্দু-মুসলিম মিলেমিশে এক অভিন্ন সমাজ

পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার অন্তর্গত মঙ্গলকোট গ্রামটি ধর্মীয় সহাবস্থানের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এখানে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায় শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। এর মূলে রয়েছে সুফি সাধকদের প্রতি উভয় সম্প্রদায়ের অগাধ বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা। ‘হিন্দুও-মুসলিমও’ এই বর্ণনাটি মঙ্গলকোটের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ সত্য। কারণ এখানে ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে ভাগ করা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ধর্মচিন্তা । নবীজির ইশারায় কি সত্যিই চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল? কুরআন, প্রসঙ্গ ও বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা

পবিত্র কোরআনে এর সুরা আল-ক্বামার-এর প্রথম আয়াত ইসলামের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত আয়াতগুলোর একটি। আয়াতটি হলো: اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ“কিয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে এবং চাঁদ বিদীর্ণ হয়েছে।”— সূরা ক্বামার, আয়াত ১ এই আয়াতকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুটি বড় ব্যাখ্যা প্রচলিত রয়েছে। একদল মনে করেন, নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)–এর ইশারায় আল্লাহর ইচ্ছায় চাঁদ বাস্তবে দ্বিখণ্ডিত হয়েছিল। অন্যদিকে

ধর্মচিন্তা । সব ধর্মেই কি আল্লাহ সতর্ককারী পাঠিয়েছেন? — কোরআনের আলোকে একটি ভাবনা

পৃথিবীতে হাজার হাজার ধর্ম, মতবাদ ও বিশ্বাস ব্যবস্থা রয়েছে। কেউ মুসলিম, কেউ হিন্দু, কেউ খ্রিস্টান, কেউ বৌদ্ধ, আবার কেউ আদিবাসী বা লোকধর্মে বিশ্বাসী। একই ধর্মে আছে আবার বিভিন্ন ধারা। কিন্তু একটি প্রশ্ন বহুদিন ধরেই মানুষের মনে ঘুরপাক খায়—আল্লাহ কি শুধু একটি জাতির জন্য নবী পাঠিয়েছেন, নাকি পৃথিবীর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের মাঝেই কোনো না কোনো সতর্ককারী পাঠিছিলেন?

Scroll to Top