বিবিধ

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | কোচ সম্প্রদায়

কোচ সম্প্রদায় বাংলাদেশের একটি প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। তারা প্রধানত দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বসবাস করে, বিশেষ করে রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা এবং দিনাজপুর অঞ্চলে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে কোচ জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য বসবাস রয়েছে। উৎপত্তি ও ইতিহাস কোচ জনগোষ্ঠীর ইতিহাস বেশ প্রাচীন। ইতিহাসবিদদের মতে, তারা তিব্বত-বর্মী জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কিত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল […]

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | কোচ সম্প্রদায় Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | ওরাওঁ জনগোষ্ঠী

ওঁরাও বা ওরাওঁ জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের একটি পরিচিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। তারা প্রধানত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বসবাস করে, বিশেষ করে দিনাজপুর, নওগাঁ, রাজশাহী এবং রংপুর অঞ্চলে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড় ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ওঁরাও জনগোষ্ঠীর বড় অংশ বসবাস করে। উৎপত্তি ও ইতিহাস ওরাওঁ জনগোষ্ঠীর আদি নিবাস ভারতের ঝাড়খণ্ড অঞ্চল বলে মনে করা হয়। ব্রিটিশ আমলে অনেক ওরাওন

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | ওরাওঁ জনগোষ্ঠী Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | মুন্ডা (Munda) জনগোষ্ঠী

মুন্ডা বাংলাদেশের একটি প্রাচীন আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তারা প্রধানত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বসবাস করে। বিশেষ করে সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার উপকূলীয় অঞ্চলে এদের বাস। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ এবং উড়িশ্যা রাজ্যে মুন্ডা জনগোষ্ঠীর বড় অংশ বসবাস করে। উৎপত্তি ও ইতিহাস মুন্ডারা অস্ট্রো-এশিয়াটিক ভাষাপরিবারের একটি প্রাচীন জনগোষ্ঠী। ধারণা করা হয়, তাদের আদি নিবাস ভারতের ঝাড়খণ্ড অঞ্চলে।

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | মুন্ডা (Munda) জনগোষ্ঠী Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | মণিপুরী (Manipuri) জনগোষ্ঠী

মণিপুরী ও বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে অন্যতম। তারা প্রধানত দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বসবাস করে, বিশেষ করে সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায়। এছাড়া কিছুসংখ্যক মানুষ হবিগঞ্জ জেলাতেও বসবাস করে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মণিপুর, আসাম এবং ত্রিপুরা রাজ্যে মণিপুরী জনগোষ্ঠীর বড় অংশ বাস করে। উৎপত্তি ও ইতিহাস মণিপুরী জনগোষ্ঠীর আদি নিবাস ভারতের মণিপুর রাজ্য।

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | মণিপুরী (Manipuri) জনগোষ্ঠী Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | হাজং (Hajong) জনগোষ্টী

হাজং সম্প্রদায় বাংলাদেশের একটি প্রাচীন আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তারা প্রধানত দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বসবাস করে, বিশেষ করে নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, শেরপুর এবং সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায়। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের আসাম ও মেঘালয় রাজ্যে হাজংদের উল্লেখযোগ্য বসতি রয়েছে। আগমন ও উৎপত্তি হাজং জনগোষ্ঠীর উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। অনেক গবেষকের মতে, তারা মূলত উত্তর-পূর্ব ভারতের পার্বত্য অঞ্চল

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | হাজং (Hajong) জনগোষ্টী Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | খাসি (Khasi) জনগোষ্ঠী

খাসিয়া বা খাসি বাংলাদেশের একটি স্বতন্ত্র আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তারা প্রধানত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে সিলেট, মৌলভীবাজার এবং সুনামগঞ্জ জেলার পাহাড়ি চা-বাগান ও টিলাভূমিতে বসবাস করে। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে খাসিদের প্রধান আবাসভূমি। আগমন ও উৎপত্তি খাসিরা অস্ট্রো-এশিয়াটিক ভাষাপরিবারভুক্ত জনগোষ্ঠী। ধারণা করা হয়, তারা প্রাচীনকাল থেকেই উত্তর-পূর্ব ভারতের পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করছে। বাংলাদেশের খাসিরা

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | খাসি (Khasi) জনগোষ্ঠী Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | সাঁওতাল (Santal / Santhal) জনগোষ্ঠী

সাঁওতালরা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তারা মূলত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বসবাস করে, বিশেষ করে দিনাজপুর, রাজশাহী, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও এবং আশপাশের এলাকায়। বাংলাদেশ ছাড়াও সাঁওতালরা ভারতের ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, উড়িশ্যা প্রভৃতি অঞ্চলে ব্যাপকভাবে বসবাস করে। আগমন ও উৎপত্তি (১) সাঁওতালরা অস্ট্রো-এশিয়াটিক ভাষাপরিবারভুক্ত মুণ্ডা (Munda) শাখার জনগোষ্ঠী। (২) তাদের আদি আবাস ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্য ও পূর্বাঞ্চল বলে গবেষকরা

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | সাঁওতাল (Santal / Santhal) জনগোষ্ঠী Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | গারো (Garo) সম্প্রদায়

গারো বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তারা নিজেদের পরিচয় দেয় আ·চিক (A·chik) নামে। গারোরা প্রধানত বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে, বিশেষ করে ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা এবং টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর ও গারো পাহাড় অঞ্চলে বসবাস করে। এছাড়া ভারতের মেঘালয় রাজ্যে তাদের বৃহৎ জনগোষ্ঠী রয়েছে। পরিচয় ও ভাষা গারোরা নিজেদের আ·চিক (A·chik) নামে পরিচয় দেয়। তাদের ভাষা তিব্বত-বর্মী ভাষাপরিবারভুক্ত। ভাষার

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | গারো (Garo) সম্প্রদায় Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | লুসাই (Lushai / Mizo) জনগোষ্ঠী

লুসাই বা মিজো হলো উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি প্রধান আদিবাসী জনগোষ্ঠী। এরা বর্তমানে প্রধানত মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে বসবাস করে। ঐতিহাসিকভাবে তাদের একটি অংশ বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলেও বসতি স্থাপন করেছিলো। পরিচয় ও নামের উৎপত্তি “লুসাই” শব্দটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে বেশি ব্যবহৃত হতো। পরবর্তীতে তারা নিজেদের পরিচয় হিসেবে “মিজো” নাম গ্রহণ করে। মিজো অর্থ আনুমানিকভাবে “পাহাড়ি

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | লুসাই (Lushai / Mizo) জনগোষ্ঠী Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | খুমি (Khumi) জনগোষ্ঠী

বাংলাদেশের নৃগোষ্ঠী নিয়ে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে উপলব্ধি হলো,  প্রত্যেকটা জাতিগোষ্ঠী প্রায় একই আচারে অভ্যাস্ত। তেমনি একটি ক্ষুদ্র সম্প্রদায় খুমি জনগোষ্ঠী। খুমি জনগোষ্ঠী ১৭শ শতকের শেষভাগে আরাকান থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে আগমন করে। গোষ্ঠীগত দাংগার কারণে খুমীদের একটি অংশ মায়ানামার হতে পালিয়ে এসে বান্দরবানের গহিন অরণ্যে বসবাস করতে শুরু করে। আবার অনেকের মতে খুমি আদিবাসীরা মূলত মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীভুক্ত

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | খুমি (Khumi) জনগোষ্ঠী Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | খিয়াং (Khyang) জনগোষ্ঠী

খিয়াং বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, যারা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করে। তাদের বসতি সাধারণত পাহাড়ের ঢাল বা উঁচু স্থানে গড়ে ওঠে। স্বল্পসংখ্যক হওয়ার কারণে তারা সাংস্কৃতিক ও ভাষাগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচিত। আগমন ও উৎপত্তি খিয়াং জনগোষ্ঠী তিব্বত-বার্মা ভাষাপরিবারভুক্ত এবং কুকি-চিন গোষ্ঠীর অন্তর্গত। ঐতিহাসিকভাবে ধারণা করা হয়, তাদের পূর্বপুরুষরা কয়েক

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | খিয়াং (Khyang) জনগোষ্ঠী Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | চাক (Chak / Sak) জনগোষ্ঠী

চাক (Chak/Sak) সম্প্রদায় বাংলাদেশের একটি স্বল্পসংখ্যক আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তারা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করে। ছোট জনসংখ্যা ও ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার কারণে চাকরা তুলনামূলকভাবে কম আলোচিত একটি গোষ্ঠী। আগমন ও উৎপত্তি গবেষকদের মতে—চাক জনগোষ্ঠী তিব্বত-বার্মা ভাষাভিত্তিক জনগোষ্ঠীর অংশ। ধারণা করা হয়, তারা বহু শতাব্দী আগে বর্তমান মিয়ানমারের পার্বত্য অঞ্চল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | চাক (Chak / Sak) জনগোষ্ঠী Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | পাংখুয়া/পাংখো জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের পরিচিতি

পাংখুয়া/পাংখো (Pangkho / Pangkhua / Pangkhu) বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি স্বল্পসংখ্যক আদিবাসী/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। তারা প্রধানত বান্দরবান জেলার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করে, যদিও রাঙামাটির কিছু এলাকাতেও তাদের উপস্থিতি রয়েছে। ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা ও ঐতিহ্যনির্ভর জীবনযাপনের কারণে পাংখুয়াদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয় সুস্পষ্টভাবে বজায় রয়েছে। আগমন ও উৎপত্তি গবেষকদের ধারণা অনুযায়ী—পাংখুয়া জনগোষ্ঠী তিব্বত-বার্মা ভাষাভিত্তিক কুকি-চিন নৃগোষ্ঠীর অংশ। তাদের

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | পাংখুয়া/পাংখো জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের পরিচিতি Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | বম জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের পরিচিতি

বম (Bawm) বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ আদিবাসী/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। তারা প্রধানত বান্দরবান ও রাঙামাটি জেলার পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করে। ভাষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনধারার দিক থেকে বমরা পার্বত্য এলাকার তিব্বত-বার্মা ভাষাভিত্তিক জনগোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত হলেও তাদের নিজস্ব স্বতন্ত্র পরিচয় রয়েছে। আগমন ও উৎপত্তি গবেষকদের মতে— ধর্মবিশ্বাস বম সমাজে ধর্মীয় পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য— ভাষা বম ভাষা

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | বম জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের পরিচিতি Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | তঞ্চংগ্যা জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের পরিচিতি

তঞ্চংগ্যা (Tanchangya) বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি আদিবাসী/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। তারা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে। ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবনধারার দিক থেকে তঞ্চংগ্যারা পার্বত্য অঞ্চলের অন্যান্য গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও তাদের নিজস্ব স্বতন্ত্র পরিচয় রয়েছে। আগমন ও উৎপত্তি তঞ্চংগ্যা জনগোষ্ঠীর উৎপত্তি সম্পর্কে ধারণা করা হয়— ধর্মবিশ্বাস তঞ্চংগ্যাদের অধিকাংশই থেরবাদী বৌদ্ধধর্ম অনুসরণ করে। ভাষা

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | তঞ্চংগ্যা জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের পরিচিতি Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | ম্রো বা মুরং জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের পরিচিতি

ম্রো বা মুরং (Mro/Murong) বাংলাদেশের একটি প্রাচীন আদিবাসী/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, যারা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করে। ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা ও স্বতন্ত্র জীবনধারার কারণে ম্রো জনগোষ্ঠী তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষণ করে এসেছে। আগমন ও উৎপত্তি গবেষকদের মতে— ধর্মবিশ্বাস ম্রো সমাজে ধর্মীয় চর্চা বহুমাত্রিক— ভাষা ম্রো ভাষা তিব্বত-বার্মা ভাষাপরিবারভুক্ত এবং

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | ম্রো বা মুরং জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের পরিচিতি Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের সামগ্রিক পরিচিতি

ত্রিপুরা (Tripura/Tipra) বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন আদিবাসী/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। তারা প্রধানত খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ছাড়াও কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের কিছু স্থানে বসবাস করে। ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ইতিহাস ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীন ত্রিপুরা রাজ্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। আগমন ও উৎপত্তি ত্রিপুরাদের উৎপত্তি সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের ধারণা— ধর্মবিশ্বাস ত্রিপুরা সমাজে ধর্মীয় বৈচিত্র্য দেখা যায়— ভাষা ত্রিপুরাদের ভাষা ককবরক (Kokborok) নামে পরিচিত, যা

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের সামগ্রিক পরিচিতি Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | মারমা জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের পরিচিতি

মারমা (Marma) বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আদিবাসী/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। তারা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাস করে। ইতিহাস ও সংস্কৃতির দিক থেকে মারমারা রাখাইন/আরাকান (বর্তমান মিয়ানমার) অঞ্চলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। আগমন ও উৎপত্তি গবেষকদের মতে, মারমারা মূলত আরাকান অঞ্চল থেকে বিভিন্ন সময় পার্বত্য চট্টগ্রামে অভিবাসন করে। ধর্মবিশ্বাস মারমাদের অধিকাংশই থেরবাদী বৌদ্ধধর্ম অনুসরণ করে। ভাষা

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | মারমা জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের পরিচিতি Read More »

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | চাকমা জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের সামগ্রিক পরিচিতি

চাকমা (Chakma) বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী/ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর একটি। প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় তাদের বসবাস, তবে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও অরুণাচল প্রদেশেও চাকমাদের একটি অংশ রয়েছে। আগমন ও উৎপত্তি চাকমাদের উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মত আছে। ধর্মবিশ্বাস চাকমাদের অধিকাংশই থেরবাদী বৌদ্ধধর্ম অনুসরণ করে। ভাষা চাকমা ভাষা ইন্দো-আর্য ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হলেও এতে পালি, সংস্কৃত, আরাকানি

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী | চাকমা জনগোষ্ঠী: ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমাজজীবনের সামগ্রিক পরিচিতি Read More »

ইংল্যান্ডের যে রাজা কখনো স্নান করতেন নাঃ শরীর ধোয়াকে পাপ ও বিপজ্জনক মনে করতেন

ইতিহাসে এমন এক রাজার কথা প্রচলিত আছে, যিনি জীবনে প্রায় কখনোই স্নান করতেন না। শুধু তাই নয়—তিনি বিশ্বাস করতেন, শরীর ধোয়া ঈশ্বরের দেওয়া স্বাভাবিক প্রতিরক্ষার বিরুদ্ধে যাওয়া, এমনকি তা পাপ বা ক্ষতিকর। ইংল্যান্ডের এই রাজার নাম ছিলো রাজা জেমস প্রথম (James I of England)—যিনি একই সঙ্গে স্কটল্যান্ডের রাজা জেমস ষষ্ঠও ছিলেন। সমসাময়িক দরবারি ও বিদেশি

ইংল্যান্ডের যে রাজা কখনো স্নান করতেন নাঃ শরীর ধোয়াকে পাপ ও বিপজ্জনক মনে করতেন Read More »

Scroll to Top