ধর্ম

কুর্দি জাতি: উৎপত্তি, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ধর্মবিশ্বাস

কুর্দি জাতির উৎপত্তি ও ইতিহাস কুর্দিরা মধ্যপ্রাচ্যের এক প্রাচীন জাতিগোষ্ঠী, যাদের বসবাস মূলত ইরান, ইরাক, তুরস্ক ও সিরিয়ার পাহাড়ি অঞ্চলজুড়ে। আজকের দিনে এই ভৌগোলিক অঞ্চলকে বলা হয় কুর্দিস্তান—যদিও এটি কোনো স্বীকৃত স্বাধীন রাষ্ট্র নয়। প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি কুর্দি মানুষ নিজেদের মাতৃভূমি কুর্দিস্তান বলে উল্লেখ করলেও তারা ছড়িয়ে আছে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন প্রবাসী […]

কুর্দি জাতি: উৎপত্তি, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ধর্মবিশ্বাস Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (ইসমাইলি শিয়া)

ইসমাইলি শিয়া: ইতিহাস ও বৈশিষ্ট ইসলামের ইতিহাসে ইসমাইলি শিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ, যা মূলত শিয়া ইসলামের শাখা থেকে উদ্ভূত। শিয়া মুসলমানরা হযরত আলি (রাঃ) ও তাঁর বংশধরদের নেতৃত্বকে বৈধ মনে করেন। তবে ইমামদের উত্তরাধিকারের প্রশ্নে বিভিন্ন মতভেদ তৈরি হয়।   ইসমাইলি শিয়ারা বিশ্বাস করেন, হযরত ইমাম জাফর সাদিক (রাঃ)-এর পর তাঁর বড় ছেলে ইসমাইল ইবনে

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (ইসমাইলি শিয়া) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (নুসাইরি বা আলাওয়ি)

অপরিচিত ধর্মের আলোকে এই পর্বের বিষয় নুরাইরি / আলাওয়ি। আলাওয়ি বা নুসাইরি হলো শিয়া ইসলামের এক রহস্যময় শাখা, যার উৎপত্তি সিরিয়ায়। ইমাম আলীর প্রতি আধ্যাত্মিক ভক্তি ও গোপন আচার তাদের বৈশিষ্ট্য। নুসাইরি / আলাওয়ি (Alawites) আলাওয়ি সম্প্রদায় হলো শিয়া ইসলামের একটি রহস্যময় ও আধ্যাত্মিক শাখা, যা মূলত সিরিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে বিস্তৃত। তাদের অনুসারীদের স্থানীয়ভাবে “নুসাইরি” নামেও

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (নুসাইরি বা আলাওয়ি) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (ফালাশা বা বেটা ইসরায়েল [Beta Israel])

বেটা ইসরায়েল বা ফালাশা হলো ইথিওপিয়ার এক প্রাচীন ইহুদি সম্প্রদায়। তাদের উৎপত্তি নিয়ে গবেষকদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। অনেকে মনে করেন, তারা ইহুদিবাদের প্রাচীন শাখার উত্তরসূরি, আবার কেউ কেউ তাদের ইথিওপীয় খ্রিস্টান ধর্ম থেকে আলাদা হওয়া একটি গোষ্ঠী বলে মনে করেন। নাম ও পরিচয় বেটা ইসরায়েল শব্দের অর্থ “ইসরায়েলের ঘর”। “ফালাশা” শব্দের অর্থ “অভিবাসী” বা “বহিরাগত”—যা

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (ফালাশা বা বেটা ইসরায়েল [Beta Israel]) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (কারায়েত ইহুদিবাদ)

কারায়েত ইহুদিবাদ (Karaite Judaism) কারায়েত ইহুদিবাদ হলো ইহুদি ধর্মের একটি শাখা, যা মূলত ৮ম–৯ম শতকে মধ্যপ্রাচ্যে বিকশিত হয়। এদের বিশেষত্ব হলো, তারা তালমুদ (Talmud) ও রাব্বিনিক ব্যাখ্যাকে প্রত্যাখ্যান করে শুধুমাত্র তওরাত (Tanakh বা হিব্রু বাইবেল)–কে চূড়ান্ত ধর্মীয় নির্দেশিকা হিসেবে মানে।   উৎপত্তি কারায়েত শব্দটি এসেছে হিব্রু শব্দ থেকে, যার অর্থ “পড়া” বা “শাস্ত্রপাঠ।” তাদের মতে,

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (কারায়েত ইহুদিবাদ) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (শিয়া ইসলাম)

শিয়া ইসলাম শিয়া ইসলাম যদিও অপরিচিত নয়, তবুও ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহের ধারাবাহিক আলোচনায় এটি গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামের জন্ম হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর শিক্ষা থেকে, আর ইব্রাহিম (আঃ)-এর বংশধারায় এর শিকড়। তবে মুহাম্মদ (সাঃ)-এর ওফাত-এর পর মুসলিম সমাজে নেতৃত্ব নিয়ে বিভাজন ঘটে। যারা আবু বকর (রাঃ)-কে প্রথম খলিফা মেনে নেন, তারা সুন্নি। আর যারা মনে করেন নেতৃত্ব কেবল নবী

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (শিয়া ইসলাম) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (রাসতাফারি ধর্ম)

হযরত ইব্রাহিম (আঃ)-এর তিনজন স্ত্রী ছিলেন—সারা, হাজেরা এবং কেতুরা। তাঁর দুই খ্যাতনামা পুত্র হচ্ছেন ইসহাক (আঃ) ও ইসমাইল (আঃ)। সারা থেকে জন্ম নেন ইসহাক (আঃ), আর হাজেরার গর্ভে জন্ম নেন ইসমাইল (আঃ)। এছাড়াও, কিছু মতানুসারে কেতুরার গর্ভে ইব্রাহিম (আঃ)-এর আরও ছয়জন পুত্র ছিলো। সারার হিংসার কারণে ইসমাইল (আঃ) ও তাঁর মা হাজেরাকে মক্কার দিকে পাঠিয়ে

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (রাসতাফারি ধর্ম) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (সামারিটান ধর্ম)

ধর্মীয় বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে করতে মনে হলো পৃথিবীর মানুষ এতো ধর্মে বিভক্ত কেনো আর যেসব অন্যান্য ধর্ম আছে তারা কোন নবীর অনুসরণ করে, কিভাবে ধর্ম পালন করে একটু খোঁজ নিয়ে দেখি। খোঁজ নিতে গিয়ে গুগল ঘেঁটে যেসব ধর্মের নাম পাচ্ছি তার নাম কোনোদিন আমরা শুনিনি। শুধু ইব্রাহীম(আঃ)-এর উত্তসূরীদের মধ্যেই মানুষ বিভিন্ন ধর্মে, আবার একই

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (সামারিটান ধর্ম) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (সাবিয়ান ধর্ম)

অপরিচিত ধর্মের আলোকে সিরিজের আজকের পর্বে থাকছে সাবিয়ান ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে লেখা। সাবিয়ান আসলে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম নয় এবং তাদের কোনো ধর্মগ্রন্থও নেই। এটি আসলে পৌত্তলিকতা, যা ধর্ম ও নবী রাসুলগনের বাইরে সামাজিকভাবে প্রচলিত একটি বিশ্বাস। চলুন জেনে নেয়া যাক সাবিয়ানদের সম্পর্কে।   উৎপত্তি ও ইতিহাস সাবিয়ান (Sabians) বা সাবি’উন হলো এক রহস্যময় ধর্মীয় গোষ্ঠী, যাদের

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (সাবিয়ান ধর্ম) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (দ্রুজ ধর্ম)

মানবসভ্যতার ইতিহাসে ধর্ম এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আজকের পৃথিবীতে ইসলাম, খ্রিষ্টান, ইহুদি, হিন্দু বা বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কে কমবেশি সবাই জানে। এ ছাড়াও এমন কিছু প্রাচীন ধর্ম আছে, যেগুলো ইতিহাসে গভীর প্রভাব ফেললেও সাধারণ মানুষের কাছে তা অনেকটাই অপরিচিত। এই পর্বে আলোচনা করবো দ্রুজ ধর্ম সম্পর্কে।   দ্রুজ ধর্ম: উৎপত্তি ও ইতিহাস দ্রুজ ধর্মের উৎপত্তি ১১শ শতাব্দীর

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (দ্রুজ ধর্ম) Read More »

ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা ও সামাজিক প্রভাব

ভূমিকা মানবসভ্যতার ইতিহাসে ধর্ম মানুষের জীবনযাত্রা, নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিক চর্চার অন্যতম ভিত্তি। ধর্ম মানুষকে শান্তি, সত্য ও মানবিকতার পথে পরিচালিত করার জন্যই এসেছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, যখন ধর্মকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয় কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করা হয়, তখন সেটি সমাজে অশান্তি, বিভাজন ও সহিংসতার জন্ম দেয়। ভুল ব্যাখ্যার ধরন ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা নানা

ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা ও সামাজিক প্রভাব Read More »

জন্মাষ্টমী: শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব, দর্শন ও আজকের প্রাসঙ্গিকতা

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বিশেষ একটি নিবন্ধ বাংলাদেশসহ ভারতবর্ষের নানা প্রান্তে জন্মাষ্টমী একটি বিশেষ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। এটি শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথি হিসেবে পালিত হয়, যিনি হিন্দু ধর্মের অবতার এবং ভক্তিমূলক সংস্কৃতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। ভাদ্র মাসের অষ্টমী তিথিতে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়, আর সেই থেকেই নাম জন্মাষ্টমী। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব ধর্মীয় আখ্যান অনুসারে, যখন পৃথিবী অন্যায়, অশান্তি ও অধর্মে

জন্মাষ্টমী: শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব, দর্শন ও আজকের প্রাসঙ্গিকতা Read More »

শোনা মানে কি শুধু শ্রবণেন্দ্রিয়ে কিছু প্রবেশ করা নাকি এর বিশেষ তাৎপর্য আছে?

আমরা প্রতিদিন অসংখ্য শব্দ শুনি—মানুষের কথা, যানবাহনের আওয়াজ, পাখির ডাক, অথবা দূরের কোনো ভাষার অনুরণন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই “শোনা”গুলো কি সবই প্রকৃত শোনা? ভাষা না বুঝে কেউ কিছু বললে, সেটা আমরা শুনি ঠিকই, কিন্তু আদৌ কি বুঝি? তাহলে কি শুধুমাত্র শব্দ কানে পৌঁছানোই “শোনা”? নাকি “শোনা” আরও কিছু গভীর জিনিস? এই লেখায় আমরা ‘শোনা’ শব্দটির মানে,

শোনা মানে কি শুধু শ্রবণেন্দ্রিয়ে কিছু প্রবেশ করা নাকি এর বিশেষ তাৎপর্য আছে? Read More »

ইজিকিয়েল কি নবী ছিলেন?

ইজিকিয়েল ছিলেন খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীর একজন নবী, যিনি ব্যাবিলের বন্দিদশা থেকে ঈশ্বরের বার্তা প্রদান করেছিলেন। তাঁর দর্শন, ভবিষ্যদ্বাণী ও নতুন মন্দিরের প্রতিশ্রুতি আজও বিশ্বাসীদের অনুপ্রাণিত করে। কিন্তু একথা আমরা ক’জনাই জানি। তাই প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক – ইজিকিয়েল কি আসলেই নবী ছিলেন? মূল প্রবন্ধঃ ইজিকিয়েল: নির্বাসনের যুগে আশা ও পুনর্জাগরণের বার্তাবাহক পরিচয় ইজিকিয়েল (Ezekiel) ছিলেন ইহুদি

ইজিকিয়েল কি নবী ছিলেন? Read More »

নবীপ্রেম না উগ্রতা: চাপাতির আঘাতে ধর্মের পাঠ?

ভূমিকা আমাদের সমাজে বিভিন্ন ধর্মীয় মতাবলম্বীদের মধ্যে মতভেদ থাকা স্বাভাবিক। তবে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজেদের মতবাদকে একমাত্র সঠিক দাবি করে অন্যদের বিশ্বাসকে অবমাননা করে থাকেন। এতে সমাজে বিভেদ ও সহিংসতা সৃষ্টি হয়, যা ইসলামের শিক্ষা ও মানবিকতার পরিপন্থী। ইসলাম শান্তি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মানের ধর্ম। মতভেদ থাকা স্বাভাবিক, তবে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা

নবীপ্রেম না উগ্রতা: চাপাতির আঘাতে ধর্মের পাঠ? Read More »

আশুরার তাৎপর্য

আশুরা একটি তাৎপর্যপূর্ণ ইসলামি দিন, যা কারবালার আত্মত্যাগ, নবীদের স্মৃতি ও আত্মশুদ্ধির প্রতীক। এদিনের রোজা, শিক্ষা ও বার্তা মুসলিম উম্মাহর জন্য গভীর তাৎপর্য বহন করে।   আশুরা শব্দটি আরবি “আশারা” (عشرة) শব্দ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ ‘দশ’। ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের দশম দিনকে “আশুরা” বলা হয়। এটি মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ

আশুরার তাৎপর্য Read More »

উজবেকিস্তানে দাড়ি ও বোরকা নিষিদ্ধ: ধর্মীয় বিশ্বাস নাকি রাষ্ট্রীয় শাসনের আধুনিক রূপ?

প্রেক্ষাপট মধ্য এশিয়ার মুসলিমপ্রধান দেশ উজবেকিস্তান আবারও আন্তর্জাতিক নজরে এসেছে। এদেশের সরকার “মুসলিম স্টাইলের দাড়ি” রাখা নিষিদ্ধ করেছে এবং কেউ এই আইন লঙ্ঘন করলে তাকে ৪০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হয়। এমনকি পুলিশ চাইলে জোরপূর্বক দাড়িও কেটে দিতে পারে। পাশাপাশি এখন শোনা যাচ্ছে, বোরকা পরাও আইনত অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। প্রথমে সামাজিক ও

উজবেকিস্তানে দাড়ি ও বোরকা নিষিদ্ধ: ধর্মীয় বিশ্বাস নাকি রাষ্ট্রীয় শাসনের আধুনিক রূপ? Read More »

কোরানের আলোকে মানবজাতি, ধর্ম ও সঠিক পথ : একটি চিন্তাশীল বিশ্লেষণ

ছবিঃ গুগল থেকে মানবজাতি, ধর্ম এবং সঠিক পথ—এই তিনটি বিষয়ে পবিত্র কোরআন অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছে। সব মানুষই আল্লাহর সৃষ্টি, এবং আল্লাহই ঠিক করেছেন কে হিদায়াত পাবে আর কে পথভ্রষ্ট হবে। আমরা অনেক সময় নিজেদের মতবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ি, অথচ কোরআন আমাদের আহ্বান করে চিন্তা করতে, বুঝতে এবং একে অপরের প্রতি সহনশীল থাকতে।  

কোরানের আলোকে মানবজাতি, ধর্ম ও সঠিক পথ : একটি চিন্তাশীল বিশ্লেষণ Read More »

মুনাফেক: ধর্মীয় বিশ্বাসঘাতকতার এক প্রতীক

ভূমিকা আরবি শব্দ মুনাফেক (منافق) ইসলাম ধর্মে একটি গভীর নেতিবাচক অর্থ বহন করে। এটি শুধু ‘প্রতারক‘ বোঝায় না, বরং এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি মুখে ইসলাম ধর্মের অনুসারী বলে দাবি করলেও অন্তরে তার বিশ্বাস নেই বা সে বিশ্বাসের পরিপন্থী কাজ করেন। এই দ্বিচারিতা বা ভণ্ডামির নামই হচ্ছে নিফাক এবং যারা নিফাক করে তারা মুনাফেক নামে

মুনাফেক: ধর্মীয় বিশ্বাসঘাতকতার এক প্রতীক Read More »

সুরা আল-আহযাবের আয়াত ৬০–৬১: রাষ্ট্র, সমাজ ও শরিয়তের দৃষ্টিতে একটি বিশ্লেষণ

ভূমিকা সুরা আল-আহযাব এর আয়াত নং ৬০ ও ৬১, এই বিশেষ দুটি আয়াত নিয়ে বিভিন্ন আলেম  বিভিন্ন রকম ব্যাখ্যা প্রদান করে থাকেন। অনেকে, বিশেষ করে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নিয়োজিত কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আয়াত দুটির নিজেদের মতো ব্যাখ্যা করে মানুষ হত্যার ফতোয়া দিয়ে থাকেন। এই নিবন্ধে উল্লেখিত আয়াত দুটি সম্পর্কে বিভিন্ন তাফসিরকারক ও চার

সুরা আল-আহযাবের আয়াত ৬০–৬১: রাষ্ট্র, সমাজ ও শরিয়তের দৃষ্টিতে একটি বিশ্লেষণ Read More »

Scroll to Top