ধর্ম

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃ রেস্টোরেশনিস্ট (খ্রিষ্টধর্ম)

মানবসভ্যতার ইতিহাসে এক বিশেষ ধারা আছে—যেখানে মানুষ বর্তমান ধর্মীয় বা সামাজিক বাস্তবতাকে অপূর্ণ মনে করে এবং মনে করে, “মূল সত্য” কোথাও হারিয়ে গেছে। এই চিন্তা থেকেই জন্ম নেয় এক বিশেষ আন্দোলন—রেস্টোরেশনিজম (Restorationism), যার অর্থ “পুনঃপ্রতিষ্ঠাবাদ” বা “আদি বিশ্বাস পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা।” রেস্টোরেশনিজম কী? ‘রেস্টোরেশনিস্ট’ শব্দটি এসেছে ইংরেজি restoration থেকে, যার অর্থ “ফিরিয়ে আনা” বা “পুনরুদ্ধার করা”। […]

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃ রেস্টোরেশনিস্ট (খ্রিষ্টধর্ম) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃ ওরিয়েন্টাল অর্থোডক্স(খ্রিষ্টধর্ম)

ওরিয়েন্টাল অর্থোডক্স (Oriental Orthodox Christianity) হলো খ্রিষ্টধর্মের একটি প্রাচীন ও স্বতন্ত্র ধারা, যা ৫ম শতাব্দীতে চ্যালসেডন কাউন্সিল (Council of Chalcedon, 451 CE)–এর পর রোমান ও বাইজেন্টাইন চার্চ থেকে পৃথক হয়ে যায়।বর্তমানে এই সম্প্রদায়ের অনুসারী সংখ্যা প্রায় ৬০–৭০ মিলিয়ন, যারা মূলত মিশর, ইথিওপিয়া, আর্মেনিয়া, সিরিয়া, ভারত (কেরালা) ও ইরিত্রিয়া অঞ্চলে বাস করেন। ঐতিহাসিক পটভূমি চ্যালসেডন কাউন্সিলের

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃ ওরিয়েন্টাল অর্থোডক্স(খ্রিষ্টধর্ম) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃ ইস্টার্ন অর্থোডক্স (খ্রিষ্টধর্ম)

ইস্টার্ন অর্থোডক্স (Eastern Orthodox Christianity) হলো খ্রিষ্টধর্মের অন্যতম প্রধান ধারা, যা খ্রিষ্টীয় ১১শ শতাব্দীতে রোমান ক্যাথলিক চার্চ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। এই বিভাজন ইতিহাসে পরিচিত “গ্রেট স্কিজম” (Great Schism, 1054 CE) নামে।বর্তমানে অর্থোডক্স বিশ্বাসী খ্রিষ্টানদের সংখ্যা আনুমানিক ২৬০ মিলিয়ন এবং এরা প্রধানত পূর্ব ইউরোপ, বলকান, রাশিয়া, ককেশাস, গ্রিস ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অঞ্চলে বাস করে। উৎপত্তি ও

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃ ইস্টার্ন অর্থোডক্স (খ্রিষ্টধর্ম) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মাবলীঃ প্রোটেস্ট্যান্ট ও তার শাখাসমূহ(খ্রিষ্টধর্ম)

খ্রিষ্টধর্মের তিনটি প্রধান ধারার একটি হলো প্রোটেস্ট্যান্ট (Protestantism)। ষোড়শ শতাব্দীতে মার্টিন লুথার (Martin Luther)–এর নেতৃত্বে ইউরোপে যে ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়, সেটিই প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মের জন্ম দেয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল—রোমান ক্যাথলিক চার্চের ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি ও বাইবেল-বহির্ভূত আচার-বিধির প্রতিবাদ। উৎপত্তি ও মূলনীতি প্রোটেস্ট্যান্টরা বিশ্বাস করে যে— অর্থাৎ, ঈশ্বরের সঙ্গে প্রত্যেক বিশ্বাসীর সরাসরি সম্পর্ক থাকতে

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মাবলীঃ প্রোটেস্ট্যান্ট ও তার শাখাসমূহ(খ্রিষ্টধর্ম) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃ খ্রিষ্টধর্ম (ক্যাথলিক)

খ্রিষ্টান ধর্মের সর্ববৃহৎ শাখা রোমান ক্যাথলিক (Roman Catholicism)—এর অনুসারী সংখ্যা আজ ১.৩ বিলিয়নেরও বেশি। ভ্যাটিকান সিটিকে কেন্দ্র করে পরিচালিত এই ধর্মধারা বিশ্বের প্রাচীনতম ধারাবাহিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের একটি। খ্রিষ্টধর্মের প্রথম যুগ থেকেই এর প্রভাব পশ্চিমা সভ্যতা, রাজনীতি, শিল্প ও দর্শনে গভীরভাবে বিস্তার লাভ করেছে। বিশ্বাসের ভিত্তি ক্যাথলিক বিশ্বাসের মূল ভিত্তি তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে— ক্যাথলিকরা বিশ্বাস

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃ খ্রিষ্টধর্ম (ক্যাথলিক) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃ এসিন সম্প্রদায় (ইহুদিবাদ)

এসিন (Essene): নীরব সাধনা ও বিশুদ্ধতার সন্ধানে এক ইহুদি সম্প্রদায় ইহুদি ধর্মের ইতিহাসে “এসিন” (Essene) ছিল এক রহস্যময় ও তপস্বী ধর্মীয় সম্প্রদায়, যারা দ্বিতীয় মন্দির যুগে (খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে খ্রিষ্টীয় প্রথম শতাব্দী পর্যন্ত) সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কঠোর ধর্মীয় শৃঙ্খলা ও আধ্যাত্মিক পবিত্রতার সাধনা করত।যেখানে ফারিসি ও সাদুসিরা সমাজ ও রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল,

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃ এসিন সম্প্রদায় (ইহুদিবাদ) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃইহুদিধর্ম (ফারিসি ও সাদুসি )

ফারিসি ও সাদুসি — প্রাচীন ইহুদি ধর্মের দুই প্রভাবশালী শাখা ইহুদি ধর্মের ইতিহাসে ফারিসি (Pharisees) ও সাদুসি (Sadducees) ছিল দুই প্রভাবশালী সম্প্রদায়, যারা খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী থেকে যিশু খ্রিস্টের সময় পর্যন্ত ইহুদিদের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। ফারিসি সম্প্রদায় সাদুসি সম্প্রদায় তুলনামূলক পার্থক্য বিষয় ফারিসি সাদুসি ধর্মগ্রন্থ লিখিত ও মৌখিক তওরাত শুধু লিখিত

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহঃইহুদিধর্ম (ফারিসি ও সাদুসি ) Read More »

মক্কা বিজয় ও মানবতার শিক্ষা: নবী মুহাম্মদ (সা.) প্রতিপক্ষের প্রতি কিরূপ আচরণ করেছিলেন? ইসলাম কি সহিংসতা জায়েজ করেছে?

ভূমিকা মানব ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরল, যেখানে বিজয়ী কোনো নেতা শত্রুদের রক্তের বদলে ক্ষমার সুধা বিলিয়েছেন। হজরত মুহাম্মদ (সা:)-এর মক্কা বিজয় (ফাতহে মক্কা) সেই ব্যতিক্রমী উদাহরণ—যেখানে প্রতিশোধের স্থানে জায়গা নিয়েছিল মানবতা, ন্যায়বোধ ও দয়া। মক্কা বিজয়ের প্রেক্ষাপট প্রায় দুই দশক ধরে মক্কার কাফের ও কুরাইশরা মুসলমানদের উপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছিল—তাদেরকে হত্যা, নির্যাতন, লাঞ্ছনা ও নির্বাসনে

মক্কা বিজয় ও মানবতার শিক্ষা: নবী মুহাম্মদ (সা.) প্রতিপক্ষের প্রতি কিরূপ আচরণ করেছিলেন? ইসলাম কি সহিংসতা জায়েজ করেছে? Read More »

সূরা আন-নিসা আয়াত ৫৯: নেতৃত্ব, আনুগত্য ও সত্য বোঝার নির্দেশ

আমাদের সমাজে একটি ভ্রান্ত ধারণা বহুদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে। এক শ্রেণির মৌলভী বা ধর্মীয় বক্তা সূরা আন-নিসা’র ৫৯ নম্বর আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করে থাকেন যে, মুসলমানদের অবশ্যই “আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং আলেমদের” অনুসরণ করতে হবে। তাদের ব্যাখ্যায় “আলেম” বলতে বোঝানো হয় যে কেউ, যিনি আরবি ভাষায় কুরআনের আয়াত পড়তে বা মুখস্থ করতে পারেন— এমনকি,

সূরা আন-নিসা আয়াত ৫৯: নেতৃত্ব, আনুগত্য ও সত্য বোঝার নির্দেশ Read More »

বোরকা: ইতিহাস, ধর্ম ও সমাজের ভুল বোঝাবুঝি

বোরকা কখনোই মুসলমানদের নিজস্ব বা মৌলিক পোশাক ছিল না। এটি মধ্যপ্রাচ্য ও পারস্য অঞ্চলের একটি প্রাচীন সামাজিক–সাংস্কৃতিক পোশাক, যার উৎপত্তি ইসলাম আগমনের বহু শতাব্দী আগে। ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বোরকার ধারণাটি মূলত ইহুদি, খ্রিস্টান ও পারস্য সভ্যতার নারীদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। এই সমাজগুলিতে একসময় রাস্তার পতিতাদেরও বোরকা পরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যেত খদ্দের আকৃষ্ট

বোরকা: ইতিহাস, ধর্ম ও সমাজের ভুল বোঝাবুঝি Read More »

সূরা আল-মায়িদা (৩৮–৪০): চুরির শাস্তি, ন্যায়বিচার ও আল্লাহর সার্বভৌম ক্ষমা

একটা ভিডিওতে দেখলাম, বেশ পরিচিত একজন ব্যক্তি পবিত্র কুরআনের একটি আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে খুব জোর দিয়ে বারবার বলছেন, ‘কেউ চুরি করলে তার হাত কেটে দিতে হবে। কিন্তু তার পরের আয়াতে আল্লাহ কি বলেছেন তা আর বলছেন না। এই নিবন্ধে তার উদ্ধৃতি দেয়া কোরআনের আয়াত নিয়ে আলোওনা করবো। সূরা আল-মায়িদা (আয়াত ৫:৩৮–৪০) মূল আরবি আয়াত آية

সূরা আল-মায়িদা (৩৮–৪০): চুরির শাস্তি, ন্যায়বিচার ও আল্লাহর সার্বভৌম ক্ষমা Read More »

তৌহিদী জনতার নামে উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠী যা করতে পারে

উগ্র ধর্মান্ধ তৌহিদী জনতার নামে খলিফা উসমান (রাঃ) হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের এক গভীর ও বেদনাদায়ক অধ্যায় হলো তৃতীয় খলিফা উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনাই ইসলামের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথম গৃহযুদ্ধের বীজ বপন করে। ধর্মের নামে উদ্ভূত উগ্র গোষ্ঠী—যাদের আত্মপরিচয় ছিল “তৌহিদী” বা “খাঁটি ঈমানদার”—তারা মূলত রাজনৈতিক প্ররোচনা ও বিকৃত ব্যাখ্যার ফাঁদে পড়ে ইসলামী ঐক্যের ভিত

তৌহিদী জনতার নামে উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠী যা করতে পারে Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে: পারসি (ইরানী) ধর্মসমূহ

ইরান তথা প্রাচীন পারস্য সভ্যতা বহু ধর্ম ও দর্শনের জন্মস্থান। জরথুস্ত্রবাদ ছিল সবচেয়ে প্রভাবশালী, তবে এর পাশাপাশি আরও কিছু পারসি ধর্ম ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এদের মধ্যে মিথ্রায়িজম, মানিকিজম, মাজদাকিজম এবং অন্যান্য গূঢ় মতবাদ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। জরথুস্ত্রবাদ ধর্ম (ইরানী) মানবসভ্যতার ইতিহাসে ধর্ম এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আজকের পৃথিবীতে ইসলাম, খ্রিষ্টান, হিন্দু বা বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কে কমবেশি

অপরিচিত ধর্মের আলোকে: পারসি (ইরানী) ধর্মসমূহ Read More »

আমল বলতে আমরা কি বুঝি: পাঠ না, বাস্তবায়নই আসল আমল

আমাদের সমাজে “আমল” শব্দটি প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। কেউ কাউকে পরামর্শ দেয়, “ভাই, এই দোয়াটা আমল করুন”, বা “এই আয়াতটা নিয়মিত পড়ুন, আমল করলে উপকার পাবেন।” কিন্তু প্রশ্ন হলো— আমল বলতে আসলে আমরা কী বুঝি? অনেককে দেখেছি, সারাদিন তজবী জপতে, আবার তজবী রেখে বা হাতে নিয়েই সেই মুখে অন্যের গীবত করতে। একজন মানুষ ৫০০ দানার তজবী

আমল বলতে আমরা কি বুঝি: পাঠ না, বাস্তবায়নই আসল আমল Read More »

মধ্যপ্রাচ্যেই কেন সব নবীর আবির্ভাব — এক কৌতূহলের বিশ্লেষণ

মানুষের মনে বহুদিন ধরেই প্রশ্ন জাগে—সব নবী-রাসূল কি শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই এসেছিলেন? ইউরোপ, আমেরিকা কিংবা অস্ট্রেলিয়ায় কেন কোনো নবীর নাম আমরা পাই না? এই কৌতূহলের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদেরকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ, ইতিহাস-ভূগোল এবং মানবসভ্যতার বিকাশ—তিনটি দিক মিলিয়ে দেখে সম্ভাব্য কারণগুলি নিম্নরূপভাবে বিশ্লেষণ করা যায়। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণঃ কুরআনের বক্তব্য কুরআনে বলা হয়েছে—“আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যে একজন করে

মধ্যপ্রাচ্যেই কেন সব নবীর আবির্ভাব — এক কৌতূহলের বিশ্লেষণ Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (মরমন ধর্ম)

মরমন ধর্ম (Mormonism / Latter-day Saints) মরমন বা “Church of Jesus Christ of Latter-day Saints (LDS)” হলো খ্রিস্টধর্মের একটি স্বতন্ত্র শাখা, যা ১৯শ শতকে আমেরিকায় জন্ম নেয়। ১৮৩০ সালে জোসেফ স্মিথ (Joseph Smith) নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে এই ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর দাবি ছিল, তিনি ঈশ্বরের ফেরেশতার কাছ থেকে Book of Mormon নামের এক পবিত্র গ্রন্থ

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (মরমন ধর্ম) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (ইয়াযিদি ধর্ম)

ইয়াযিদি ধর্ম (Yazidism) ইয়াযিদি ধর্ম মধ্যপ্রাচ্যের এক প্রাচীন ও বিতর্কিত বিশ্বাসব্যবস্থা। এর অনুসারীদের ইয়াযিদি বলা হয়, যারা মূলত ইরাকের উত্তরাঞ্চল, সিরিয়া, তুরস্ক ও কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চলে বসবাস করে। ধর্মটির শেকড়ে রয়েছে প্রাচীন মেসোপটেমীয়, জরথুস্ত্রীয়, খ্রিস্টীয় ও ইসলামি প্রভাবের মিশ্রণ। এজন্য একে অনেক সময় আধা–ইব্রাহিমীয় ধর্ম হিসেবেও বিবেচনা করা হয়। ইয়াযিদিরা বিশ্বাস করেন মেলেক তাউস নামক

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (ইয়াযিদি ধর্ম) Read More »

কবর, মুনকির-নাকীর ও মৃতদেহ অবমাননাঃ ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ

ইসলামে মৃত্যুর পর কবর, জান্নাত-জাহান্নামের হিসাব, ফেরেশতা মুনকির-নাকীরের প্রশ্ন ইত্যাদি ধারণা গভীরভাবে প্রচলিত। মৌলবীরা প্রায়ই বলেন, মানুষ মারা গেলে তাকে দাফন করার পরপরই ফেরেশতা এসে প্রশ্ন করেন—“তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কী? তোমার নবী কে?”। অর্থাৎ মৃত্যুর মুহূর্ত থেকে মানুষ আল্লাহর জিম্মায় চলে যায় এবং তার হিসাব আল্লাহর হাতে ন্যস্ত হয়। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন ওঠে—একজন

কবর, মুনকির-নাকীর ও মৃতদেহ অবমাননাঃ ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (মান্দাই ধর্ম)

অপরিচিত ধর্মের আলোকে | পর্ব ১: মান্দাই ধর্ম পৃথিবীতে অসংখ্য ধর্ম আছে যা আমদের অনেকেই জানিনা। প্রধান কয়েকটি ধর্ম যেমন ইসলাম, ইহুদি, খৃষ্টধর্ম, হিন্দুত্ববা্‌দ, বৌদ্ধধর্ম ইত্যাদি মুষ্টিমেয় কয়েকটি ধর্ম আমাদের আলোচনায় থাকে। পরিসংখ্যান মতে পৃথিবীতে ধর্মের সংখ্যা ৪,১০০। এছাড়াও ভিন্ন ভিন্ন ধারা মিলিয়ে এর সংখ্যা হবে প্রায় ১০ হাজার। এই সিরিজে কিছু অপরিচিত ধর্ম নিয়ে

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (মান্দাই ধর্ম) Read More »

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (বাহাই ধর্ম)

‘অপরিচিত ধর্মের আলোকে’ সিরিজের এই পর্বে আমরা আলোচনা করবো ‘বাহাই’ ধর্ম সম্বন্ধে। এর উৎপত্তি, বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান, আধুনিক অবস্থা ও প্রভাব। ইতিহাস ও ধর্মতত্ত্বে আগ্রহীদের জন্য একটি তথ্যবহুল বিশ্লেষণ।’   বাহাই ধর্ম: উৎপত্তি ও ইতিহাস বাহাই ধর্মের সূচনা উনবিংশ শতাব্দীর ইরানে। ১৮৪৪ সালে প্রথমে সাইয়্যেদ আলী মুহাম্মদ শিরাজী নিজেকে “বাব” (দরজা) হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি দাবি

অপরিচিত ধর্মের আলোকে – ইব্রাহিমীয় ধর্মসমূহ (বাহাই ধর্ম) Read More »

Scroll to Top