বিশেষ-লেখা

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১৫)

বিজন ভট্টাচার্য বিজন ভট্টাচার্য (১৭ জুলাই ১৯০৬-১৯ জনুয়ারি ১৯৭৮): ছিলেন একজন বাঙালি নাট্য ব্যক্তিত্ব ও অভিনেতা। অনেকগুলি নাটক রচনা করেছেন তিনি।   বিজন ভট্টাচার্য ১৭ জুলাই ১৯০৬ তারিখে বর্তমান রাজবাড়ী জেলার খানখানাপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ক্ষীরোদবিহারী ভট্টাচার্য ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক। ভূস্বামী পরিবারে তার জন্ম। পিতার কর্মসূত্রে বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করার সুবাদে তিনি সাধারণ […]

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১৫) Read More »

মৃত্যু দুয়ার থেকে ফিরে আসা এক রোমহর্ষক কাহিনী –

সূচনাঃ সাল: ২০১০-১২ থাকতাম নারায়ণগঞ্জ। মেয়ের বাসা উত্তরা। মেয়ে সবার বড় সন্তান। ছেলে দুজনই পড়াশুনার জন্য একেকজন একেক জায়গায়। বাসায় শুধু আমরা দুজন থাকি।   একদিন স্ত্রী গেছে মেয়ের বাসায় বেড়াতে। এমন অবস্থায় আমার আহারাদী সম্পন্ন করতে হতো বাইরে। একরাতে বিরিয়ানী খেয়ে বাসায় ফিরেছি। তারপর একটু একটু পেট ব্যাথা। মহল্লার ওষুধের দোকানদার ভাই প্যারামেডিক্স। খবর

মৃত্যু দুয়ার থেকে ফিরে আসা এক রোমহর্ষক কাহিনী – Read More »

একুশে পদক প্রাপ্ত সাদা মনের মানুষ জিয়াউল হক

ভদ্রলোক পেলেন একুশে পদক। তাকে দেখতে অনেকে তার বাড়িতে যাচ্ছে। কিন্তু সকাল থেকে তিনি বাড়িতে নেই। ঘরে চাল কেনার টাকা না থাকায় দই ও ক্ষীর বিক্রি করতে বের হয়েছেন। ৯০ বছরের বৃদ্ধ সাধারণ মানুষটার একুশে পদক পাওয়ার কারণ কী? ভদ্রলোক নিজের নামে একটা পাঠাগার গড়েছেন ১৯৬৯ সালে। সময়ের পরিক্রমায় তার পাঠাগারে এখন বইয়ের সংখ্যা ১৪০০০!

একুশে পদক প্রাপ্ত সাদা মনের মানুষ জিয়াউল হক Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১৩)

হিমানীশ গোস্বামী হিমানীশ গোস্বামী ১৮ মার্চ ১৯২৬ তারিখে বর্তমান রাজবাড়ী জেলার কালুখালি উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক ও আদি বাড়ি একই উপজেলার রতনদিয়া গ্রামে, যে গ্রামের কেন্দ্রে অবস্থিত রতনদিয়া বাজার, রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও বর্তমানে গড়ে উঠছে উপজেলা শহর।   হিমানীশ গোস্বামী একজন বিশিষ্ট রসসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও কার্টুনিষ্ট। তার পিতা পরিমল গোস্বামী

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১৩) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১২)

কাজী আবদুল ওদুদ কাজী আবদুল ওদুদ ছিলেন একজন কৃতী অধ্যাপক, চিন্তাশীল বাঙালী প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, বিশিষ্ট সমালোচক, নাট্যকার ও জীবনীকার। বিশের দশকে ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ এবং “শিখা” পত্রিকাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত বুদ্ধিমুক্তি আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তি ছিলেন তিনি।   কাজী আবদুল ওদুদ ১৮৯৪ সালের ২৬ এপ্রিল বর্তমান রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১২) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১১)

ডক্টর সানজীদা খাতুন  সানজীদা খাতুন ০৪ এপ্রিল, ১৯৩৩ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত পণ্ডিত ব্যক্তি ও জাতীয় অধ্যাপক ড. কাজী মোতাহার হোসেন।  জনপ্রিয় গোয়েন্দা উপন্যাস “মাসুদ রানা” ধারাবাহিকের লেখক  কাজী আনোয়ার হোসেন তার ছোটভাই। তিনি ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা রবীন্দ্রসঙ্গীত বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদুল হকের স্ত্রী।   সানজীদা খাতুন বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও সঙ্গীতজ্ঞ। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১১) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১০)

রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই রোকনুজ্জামান খান  ০৯ এপ্রিল ১৯২৫ তারিখে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় বিখ্যাত ব্যক্তি রওশন আলী চৌধুরী ও এয়াকুব আলী চৌধুরীর বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তারা ছিলেন তার নানা। তার পৈত্রিক বাড়ি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানার ভবানীপুর গ্রামে।   তার স্ত্রী বাংলাদেশের নারী ব্যক্তিত্ব “বেগম” সম্পাদক নূরজাহান বেগম। প্রখ্যাত ব্যাক্তি সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ছিলেন

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১০) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৯)

পরিমল গোস্বামী পরিমল গোস্বামীঃ ১৮৯৭ সালের ১লা সেপ্টেম্বর বৃটিশ ভারতের অধুনা বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলা বর্তমানে রাজবাড়ি জেলার কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক। তিনি রস-রচনা ও ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য সমধিক পরিচিত। রবীন্দ্রোত্তর যুগে যে সকল সাহিত্যিক বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন পরিমল গোস্বামী তাদের অন্যতম।   “এমন একজন কীর্তিমানের বাড়ি

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৯) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৮)

জলতরঙ্গ বাদ্যযন্ত্রের পথিকৃৎ রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান বামনদাস গুহরায় বামন দাস গুহরায়ঃ জন্ম রাজবাড়ী জেলার সজ্জনকান্দা গ্রামে। পিতা তারকনাথ গুহ ছিলেন আইনজীবী ও সমাজসেবক। এই প্রথিতজশা শিল্পী মাত্র ৫৮ বছর বয়সে ১৯৬৮ সালে সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি বাদ্য যন্ত্রের নতুন এক শব্দের জন্ম দেন। যার নাম ‘জলতরঙ্গ’। ভারতের আকাশবানী থেকে যখন এই

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৮) Read More »

জীবনযোদ্ধার রোজনামচা (০৮-০২-২০২৪)

ব্যাক্তিগত প্রসঙ্গ যে ঘটনা লিখতে যাচ্ছি তাতে ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ টানতেই হচ্ছে। জীবন নামক রেল গাড়িটার গতি শ্লথ হয়ে আসছে। ‘ইঞ্জিনের দুই এক জায়গায় ময়লা জমে, সেসব পরিষ্কার করতে হয়। অনেক সময় দুয়েকটি “অক্সিলারী” পার্টস – অন্যান্য জরুরী পার্টসের ক্রিয়া নিস্কন্টক রাখতে বাদও দিতে হয়। তারপর যেদিন মেইন সুইচ “ঠাস” করে অফ হয়ে যাবে, ইঞ্জিন আর

জীবনযোদ্ধার রোজনামচা (০৮-০২-২০২৪) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৭)

ডক্টর রাজিয়া খান রাজিয়া খান  বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক। লেখালেখি ছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন মঞ্চে অভিনয় করেছেন। রাজিয়া খান ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ রাজবাড়ী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৌলভী তমিজউদ্দিন খান অবিভক্ত বাংলার মন্ত্রী, আইন সভার সদস্য এবং পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পীকার ছিলেন। তার মায়ের নাম রাবেয়া রাহাত খান।   রাজিয়া খান স্কুল ও কলেজ জীবন শেষ

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৭) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৬)

কাজী আনোয়ার হোসেন কাজী আনোয়ার হোসেন ছিলেন একজন বাংলাদেশি লেখক, অনুবাদক এবং প্রকাশক। জনপ্রিয় গোয়েন্দা উপন্যাস “মাসুদ রানা” (ধারাবাহিক) তার অনবদ্য সৃষ্টি। সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে তিনি ষাটের দশকের মধ্যভাগে “মাসুদ রানা” নামক গুপ্তচর চরিত্র সৃষ্টি করে সাড়া ফেলেন। এর কিছু আগে “কুয়াশা” নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই সৃষ্টি হয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে “বিদ্যুৎ মিত্র” ও “শামসুদ্দীন নওয়াব” নাম ব্যবহার করতেন।   কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ সালের ১৯

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৬) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৫)

মৌলভি তমিজউদ্দিন খান মৌলভি তমিজউদ্দিন খান বা এম. টি. খান ১৮৮৯ সালে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির ফরিদপুরে (বর্তমান রাজবাড়ি) জন্মগ্রহণ করেন। ১৯১৩ সালে তিনি ইংরেজিতে এম. এ. ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯১৫ সালে আইন পাস করার পর ফরিদপুরে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তমিজ উদ্দিন খান আইনপেশার পাশাপাশি রাজনীতিতেও অংশ নেন। তিনি প্রথমে কংগ্রেস ও পরে মুসলিম লীগে যোগ দেন। তিনি আঞ্জুমানে ইসলামিয়ার সম্পাদক ছিলেন। খিলাফত

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৫) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৪)

মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী বাংলাভাষার একজন লেখক এবং সাংবাদিক। তিনি শিক্ষা সংস্কারের মাধ্যমে পশ্চাৎপদ মুসলমানদের অগ্রগামী করেন।   মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী ১৮৮৮ সালে রাজবাড়ী জেলার পাংশার মাগুরাডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। পিতা এনায়েতুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ অফিসার। পাংশা হাইস্কুল থেকে এমই এবং রাজবাড়ী রাজা সূর্যকুমার ইনস্টিটিউশন (RSK Institution) থেকে এন্ট্রান্স পাস করেন। কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হলেও

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৪) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৩)

মীর মশাররফ হোসেন  মীর মশাররফ হোসেন (১৩ নভেম্বর ১৮৪৭-১৯ ডিসেম্বর ১৯১১) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক। তাঁর পুরো নাম সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও বাঙালি মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ। কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে রচিত” বিষাদ সিন্ধু” তার সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।   সৈয়দ মীর মশাররফ হোসেন তৎকালিন ব্রিটিশ-ভারত – বর্তমান বাংলাদেশ-এর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৩) Read More »

রংরুট সাক্ষাৎকার: রীতা রায় মিঠু

রংরুট: আমাদের সমাজ সংসারে মেয়ে হয়ে জন্মানো সত্যিই কি বিড়ম্বনা বলে মনে হয়েছে কখনো জীবনের কোন পর্বে?   রীতা রায় মিঠু: না, সংসারে মেয়ে হয়ে জন্মানো আমার কাছে কখনোই বিড়ম্বনার মনে হয় নি। জীবনের কোনো পর্বেই তা মনে হয়নি। বরং যদি আবার জন্ম নেয়ার সুযোগ পাই, আমি মেয়ে হয়েই জন্ম নিতে চাই। আমার বর্তমান বয়স

রংরুট সাক্ষাৎকার: রীতা রায় মিঠু Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-২)

ডক্টর কাজী মোতাহার হোসেন  কাজী মোতাহার হোসেন ছিলেন একজন পরিসংখ্যানবিদ ও সাহিত্যিক।   কাজী মোতাহার হোসেন ১৮৯৭ সালের ৩০ জুলাই কুষ্টিয়া (তখন নদীয়া) জেলার কুমারখালি থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামে তার মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গোয়ালন্দ মহকুমার (বর্তমান রাজবাড়ি জেলা) পাংশা থানার (বর্তমানে উপজেলা) বাগমারা গ্রামে।  তার পিতা কাজী গওহরউদ্দীন আহমদ ছিলেন সরকারি সেটেলমেন্ট বিভাগের সার্ভেয়ার। তার মায়ের নাম তাসিরুন্নেসা।

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-২) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১) – খোন্দকার আব্দুল হান্নান

 রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১)  লেখকঃ খোন্দকার আব্দুল হান্নান  _________________________________________ কৈফিয়ৎ “২০১৭ সালে আমার একটি লেখার সূত্র ধরে লেখক রাজবাড়ী জেলার যে দুইজন বিস্মৃতপ্রায় কীর্তিমানের কথা লিখেছিলেন সেই লেখাটি নিচে তুলে ধরা হলো। এতে প্রসঙ্গের বাইরের দুয়েকটি কথা এসে যেতে পারে, সেজন্যে দুখিত! পরবর্তীতে আমার সাধ্যেমত রাজবাড়ী জেলার অন্যান্য কীর্তিমানদের কথা তুলে ধরার চেষ্টা করবো”।

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১) – খোন্দকার আব্দুল হান্নান Read More »

বঙ্গভঙ্গ, যুক্তবঙ্গ এবং প্রাসঙ্গিক বাতাবরণ -খোন্দকার আব্দুল হান্নান

লেখক পরিচিতিঃ [বীর মুক্তিযোদ্ধা খোন্দকার আব্দুল হান্নান পেশায় প্রকৌশলী। মুক্তিযুদ্ধকালিন প্রবাসী মুজিবনগর সরকারের প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রবাসে থাকাকালিন “স্মারণিক সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী” নামে সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তোলেন যা ১৫ই আগষ্ট ১৯৭৫ পর্যন্ত চালু ছিলো। স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে শেখ ফজলুল হক মণির নেতৃত্বে গঠিত আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭৩ সালে

বঙ্গভঙ্গ, যুক্তবঙ্গ এবং প্রাসঙ্গিক বাতাবরণ -খোন্দকার আব্দুল হান্নান Read More »

জীবনযোদ্ধার রোজনামচা (২৪ জানুয়ারি ২০২৪)

  ট্র্যান্সজেন্ডার প্রসঙ্গ আসিফ মাহতাবের ছবি সপ্তম শ্রেণির পাঠ্য বইএ শরীফ থেকে শরীফার গল্পকে কেন্দ্র আরো যে একটি জেন্ডারের কথা সামনে এসেছে বা যাকে কেন্দ্র করে এই আলোচনা-সমালোচনার অনেকটা সেটি হলো ট্রান্সজেন্ডার। হিজড়াদের জেন্ডার হিসেবে মেনে নিলেও ট্রান্সজেন্ডারদের স্বীকৃতি দিতে নারাজ আমাদের সমাজের অনেকেই। তাঁদের ধারণা ট্রান্সজেন্ডার মানুষ বিবেকবর্জিত হয়ে শুধু ইচ্ছাকৃতভাবেই রূপান্তরিত হয়। ব্র্যাক

জীবনযোদ্ধার রোজনামচা (২৪ জানুয়ারি ২০২৪) Read More »

Scroll to Top