ওয়াশিংটন, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ — যুক্তরাষ্ট্র সরকার ৩০টির বেশি দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা (travel ban) সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সচিব Kristi Noem এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বিধিনিষেধিত দেশগুলোর তালিকা “৩০ ছাড়িয়ে গেছে” এবং প্রসারিত করার জন্য আরও দেশ মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
তবে তিনি কোন নতুন দেশগুলোকে নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত করা হবে — তা স্পষ্ট করেননি।
উল্লেখ্য, এই নিষেধাজ্ঞার প্রথম ঘোষণা হয়েছিল ২০২৫ সালের জুন মাসে, যখন ১২টি দেশ থেকে নাগরিকদের পূর্ণ প্রবেশ নিষিদ্ধ এবং সাতটি দেশে আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।
Noem যুক্তি দিয়েছেন, যেসব দেশের সরকার “অস্থিতিশীল” এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণকারীদের যথাযথভাবে ভেরিফাই করতে অক্ষম, সেসব দেশ থেকে মানুষের আগমন বন্ধ করাই যুক্তিযুক্ত।
এই প্রসারিত নিষেধাজ্ঞা — যা পর্যবেক্ষকরা যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন-নীতি কঠোরীকরণের অংশ মনে করছেন — সাম্প্রতিক কালে ওয়াশিংটনে একটি নিরাপত্তা ঘটনায় ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার প্রেক্ষিতে এসেছে; সেখানে দুই জন ন্যাশনাল গার্ড সদস্যকে গুলিবিদ্ধ করা হয়েছিল। অভিযুক্ত আফগান নাগরিক ছিল যিনি একটি অভিবাসন পুনর্বাসন প্রোগ্রামের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেছিলেন।
বর্তমানে ২০২৫ সালের জুনে প্রাথমিক তালিকায় যেসব দেশ ছিল, সেগুলোর মধ্যে ছিল (পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা):
- Afghanistan
- Myanmar
- Chad
- Republic of the Congo
- Equatorial Guinea
- Eritrea
- Haiti
- Iran
- Libya
- Somalia
- Sudan
- Yemen
এছাড়া আংশিক নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ হয়েছিল (ভিসা সীমিত করা):
- Burundi
- Cuba
- Laos
- Sierra Leone
- Togo
- Turkmenistan
- Venezuela
বাংলাদেশ কি এই তালিকায় পড়তে পারে?
এখন যেহেতু নতুন “৩০+ দেশ”-এর তালিকা পাওয়া যায়নি, নতুন তালিকা সম্পূর্ণ গোপন — ফলে বলা যাচ্ছে না কোন দেশগুলো এতে যুক্ত হবে। তবে উপরে বর্ণিত তালিকা বিশ্লেষণ করলে মনে হতে পারে, ঘটনাচক্রে বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভূক্ত হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
সূত্রঃ Reuters, The Economic Times, hindustantimes.com, The Guardian+1, CBS News+2








Leave a Reply