জাপানের রাজনীতিতে ঐতিহাসিক এক মুহূর্ত তৈরি হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় জাপানের সংসদে ভোটে সানায়ে তাকাইচি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দেশটির ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় ফিরেছে শাসক দল Liberal Democratic Party (এলডিপি), যারা নতুনভাবে Japan Innovation Party (জেপিআইপি)–এর সঙ্গে জোট গঠন করেছে। দু’দলের এই সমঝোতার ফলেই তাকাইচির প্রধানমন্ত্রিত্ব নিশ্চিত হয়।
এলডিপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ না হলেও জেপিআইপি–এর সঙ্গে নতুন জোটের মাধ্যমে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সোমবারের ভোটে তাকাইচি সহজ ব্যবধানে জয় পান, ফলে তাঁর প্রধানমন্ত্রী হওয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
এই জোটে এলডিপি–জেপিআইপি একত্রে ২৩১টি আসন পেয়েছে, যা কার্যত সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট।
তাকাইচি তাঁর প্রথম বক্তৃতায় বলেন,
“আমি এমন এক জাপান গড়তে চাই যেখানে নারী–পুরুষ সমানভাবে সুযোগ পাবে এবং আমাদের অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা—দুই–ই হবে দৃঢ়।”
নতুন সরকারের নীতি–অগ্রাধিকার হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন—
- অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি
- প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার
- জনসংখ্যা হ্রাস মোকাবেলায় কার্যকর নীতি
- প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে সরকারি সহায়তা
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াঃ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাকাইচিকে অভিনন্দন জানিয়েছে এবং “স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক জাপান” গঠনে তাঁর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছে।প্রতিবেশী চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া তাকাইচির রক্ষণশীল অবস্থান নিয়ে সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তাঁর নেতৃত্বে জাপান প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক নীতিতে আরও দৃঢ় ও স্বাধীন ভূমিকা নেবে।
সানায়ে তাকাইচি প্রধানমন্ত্রী হওয়া এক ঐতিহাসিক ঘটনা। জাপানের রাজনীতিতে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয়। তিনি ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং রক্ষণশীল নীতি–দর্শনের ধারক। আজ তাঁর নির্বাচনের মাধ্যমে জাপান এমন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করল যেখানে নারীর নেতৃত্ব আর কেবল প্রতীকের নয়—বাস্তবতার রূপ পেয়েছে।
তাকাইচির নেতৃত্বে জাপান এখন এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে—যেখানে অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও লিঙ্গ–সমতা একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার।
আপনি চাইলে আমি এই খবরটির উপর ভিত্তি করে একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনও লিখে দিতে পারি—যেখানে দেখানো হবে তাকাইচির নেতৃত্বে জাপানের নীতি কোন পথে যেতে পারে (বিশেষত নিরাপত্তা ও কূটনীতিতে)। চাইলে লিখে দিই?
সূত্রঃ The Japan Times+2Bloomberg+2








Leave a Reply