• About WordPress
    • WordPress.org
    • Documentation
    • Learn WordPress
    • Support
    • Feedback
  • Log in

Home

About Us

Advertisement

Contact Us

  • Facebook
  • X
  • Instagram
  • Pinterest
  • WhatsApp
  • RSS Feed
  • TikTok
1200 x 800

সত্যবাণী

সাত্ত্বিক মহারাজ এর সত্যবাণীঃ সংবাদ ও ধর্ম বিশ্লেষণ

  • Home
  • About Us
    • Terms and Conditions
    • Disclaimer
    • Privacy-Policy
  • News
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • রাজনীতি
    • ভূ-রাজনীতি
  • ধর্ম
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • বিশেষ-লেখা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্যকথা
    • রম্য-রচনা
    • বিবিধ
Search

হাদিস ছাড়া নামাজ পড়বেন কেমনে (পর্ব-২)

সত্যবাণী avatar
সত্যবাণী
03/08/2024
ছবিঃ প্রতিকী

পবিত্র কোরআনে প্রথম যে শব্দ নাজিল হয়েছে
তা হচ্ছে ইকরা। এই ইকরা মানে শোনা বা শুনে দৌড় দেয়া না। ইকরা মানে পড়া। শুধু পড়া নয়,
ইকরা শব্দের অর্থ মনোযোগ সহকারে বুঝে বুঝে পড়া। কোনো লেখা পড়ে বুঝতে না পারলে তাকে
পড়া বলা হয় না। কি পড়তে বলা হয়েছে? কোরআন।

 

ইকরা এবং কোরআন একই শব্দের ভিন্ন দুটি
রূপ। যেমন জাতীয়, জাতীয়তা একই শব্দের ভিন্ন দুটি রূপ। ইকরা শব্দের অর্থ পড়া, আর কোরআন
শব্দের অর্থ যা পড়া হয়। আল্লাহ কুরআন পড়তে বলেছেন, আর নামাজ হচ্ছে সে কোরআনের পাঠচক্র।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, “যখন কোরআন পাঠ করা হয় তখন তোমরা মনোযোগ সহকারে তা শ্রবণ
করবে”-(৭:২০৪)।
কোনো একটা শব্দ শোনা, যেমন; পাখির ডাক বা গাড়ির হর্ন,
যার কোনো অর্থ নেই। এটাকে ইংরেজিতে বলে Hearing.। আবার যখন মনোযোগ দিয়ে বোঝার উদ্দেশ্যে
কোনো কথা শোনা হয় তখন তাকে বলা হয় Listning.।

 

টোফেল বা আইএলটিএস পরীক্ষায় Listning
Test নেয়া হয়। আর কানে না শুনলে তারজন্যে Hearing Aids দেয়া হয়। সুতরাং শ্রবন করো মানে
Listen to it.। একেবারে Listning Test এর মতো মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। আর নেশাগ্রস্থ
অবস্থায় যখন সে বুঝতে পারে না যে সে কি বলছে, তখন তাকে নামাজের ধারে কাছেও আসতে নিষেধ
কর করা হয়ছে-(৪:৪৩)।।

 

রাসূল(সাঃ) ইমাম হিসেবে কোরআন পড়ে শোনাতেন।
সাহাবীরা গভীর মনোযোগ ও একাগ্রতার সাথে কোরআন পাঠ শুনতেন। নামাজ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য
ছিলো কোরআন পড়া, কোরআন বোঝা, কোরআন মানা, কোরআন প্রতিষ্ঠা করা এবং কেবলমাত্র কোরআন
প্রতিষ্ঠা করা।

 

নামাজ ইসলামের মূল ভিত্তি। কারণ নামাজের
মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে কোরআনের সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু নামাজের ঐচ্ছিক ও প্রতীকী
রীতি রেওয়াজ, আর নাভির নিচে না বুকের উপরে, জোরে আমীন না আস্তে আমীন- এসব অর্থহীন বিতর্কের
আড়ালে চলে গেছে নামাজ প্রতিষ্টার মূল উদ্দেশ্য।

 

আমরা যে নামাজ পড়ি তার সাথে নবীজি(সাঃ)
এবং সাহাবী তাবেয়ীদের নামাজের উদ্দেশ্যের কোনো মিল নেই। আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন;
“পূর্ব-পশ্চিমে মুখ ফেরনোয় কোনো পূণ্য নাই”-(২:১৭৭)। অর্থাৎ নামাজের শারীরিক অঙ্গভঙ্গিতে
পূণ্য নেই। পূণ্য হচ্ছে বিশ্বাস ও ভালো কাজে। বিশ্বাস ও ভালো কাজ কোনটা? যে বিশ্বাস
ও ভালো কাজের বিবরণ নামাজে দাঁড়িয়ে পড়ি বা শুনি। রাসূল(সাঃ) এবং সাহাবীদের নামাজ
ছিলো বিশ্বাস ও ভালো কাজের যে কার্য তালিকা আল্লাহ নাজিল করেছেন তা জানার এবং বোঝার
পাঠচক্র এবং সেই নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলা।

 

প্রতিটি মানুষকে তার ‘সার্ভিস রুল’ অর্থাৎ
কোরআন বুঝিয়ে দেয়ার, পড়িয়ে দেয়ার, বারবার মনে করিয়ে দেয়ার আয়োজন হচ্ছে নামাজ।
কিন্তু কুরআনের সালাতের মতো হাদিস এর সালাতের সাথেও আমাদের নামাজের যোজন যোজন দূরত্ব।

 

নামাজ যে কোরানের পাঠচক্র ছাড়া আর কিছুই
নয়। কোরআনের পাঠচক্র ছাড়া নামাজের যাবতীয় অঙ্গভঙ্গি যে ঐচ্ছিক এবং তা নিয়ে ঝগড়া করা
যে আহাম্মকী তা অনুধাবন করতে হবে।

 

আহলে কিতাবীদের জন্যও সালাত কায়েমের
নির্দেশ ছি্লো। সে সালাত বলতে যদি নামাজ বোঝানো হয় তবে আহলে কিতাবীদের নামাজের সাথে
আমাদের নামাজের প্রধান পার্থক্য হচ্ছে কোরআন পাঠ। রাসুল(সাঃ) নামাজে কোরআন পাঠ করতেন।
আবু জেহেলরোও নামাজ পড়তো। তবে তাতে কোরআন পড়তো না।

 

রাসুল(সাঃ)-এর মক্কী জীবনে প্রকাশ্যে
নামাজ পড়ার বর্ণনা ইতিহাসে থাকলেও নামাজের জন্য মসজিদ নির্মাণ, নির্দিষ্ট সময় নামাজের
জামাতে উপস্থিত হওয়ার সরকারী ফরমান জারি বা ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয় হিজরতের
পর। ইসলাম প্রচার ও প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে হিজরত। এ কারণে
ইসলামিক ক্যালেন্ডার গণনা করা হয় হিজরতের দিন থেকে। ইসলামের ইতিহাস পর্যালোচনা করে
এ কথা বলা যায় যে, হিজরত ছাড়া ইসলাম মক্কায় শুরু হয়ে মক্কায়ই শেষ হয়ে যেতো। হিজরতের
নির্দেশ এবং এর গুরুত্ব বর্ণনা করে পবিত্র কোরআনে বেশ কিছু আয়াত নাজিল হয়েছে। বুখারী
শরীফের প্রথম হাদীসটিও হিজরত নিয়ে।

প্রত্যেক কাজ নিয়ত বা উদ্দেশ্যের সাথে
সম্পর্কিত। আর মানুষ তার নিয়ত বা উদ্দেশ্য অনুযায়ী ফল পাবে। যে ইসলাম প্রতিষ্ঠার
জন্য হিজরত করেছে তার হিজরত ইসলামের জন্য গ্রীহিত হবে। আর যে ব্যক্তিগত লাভ লোভের জন্য
হিজরত করেছে তার হিজরতে কোনো পূণ্য নেই।

 

 

বুখারী শরীফের সূচনায় বলা আছে, মানুষ
তার নিয়ত বা উদ্দেশ্য অনুযায়ী ফল পাবে। এই নিয়ত হচ্ছে আপনার অন্তরের ইচ্ছা যা একমাত্র
আল্লাহ জানেন। বেশভূষা বা লোক দেখানো ক্রিয়াকর্ম দিয়ে নয়, অন্তরের ইচ্ছা দিয়ে মানুষের
কর্মফল নির্ধারিত হবে। নামাজ-রোজা, হজ্জ্ব-হিজরত, দান-দক্ষিণা সবকিছুর প্রতিদান নির্ধারিত
হবে অন্তরের ইচ্ছা অনুযায়ী। যারা ইসলাম ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্য হিজরত করেছেন তাদের
হিজরত ইসলামের জন্য গৃহীত হবে। এ হিজরত কেবল মক্কা থেকে মদিনায় অভিবাসন নয়। এরপর সাহাবীরা
সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে।

 

হিজরত নিছক অভিবাসন ছিলো না। পদে পদে
বিপদ, পরাশক্তির সাথে লড়াই, সংঘাত, সংগ্রামের এক জীবন মরণ বাস্তবতা। মদিনায় হিজরতের
পর রাসূল(সাঃ) একটি সার্বভৌম ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন যাতে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদেরও
সমান অধিকার ছিলো। মদিনায় রাসূল(সাঃ) যে মসজিদ নির্মাণ করেন তা ছিলো তার প্রধান কার্যালয়,
বাসভবন, বিচারালয় এবং আইনসভা।

 

অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও বিচার আচার
চাইতে মসজিদে নববীতে আসতো। অর্থাৎ মসজিদে নববী কেবল নামাজের জন্য নির্মিত হয়নি। তবে
নামাজের জামাতে উপস্থিত হওয়ার যেসব বাধ্যবাধকতা হাদিসের কিতাবে পাওয়া যায় তা কুরআনের
পাঠচক্রে উপস্থিত হওয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় ফরমান।

 

কুরআন মদিনা ইসলামী রাষ্ট্রের আইনের
প্রধান বা একমাত্র উৎস। কুরআন নাজিলের প্রক্রিয়া তখনও চলমান ছিলো। প্রতিদিন নতুন বিধিনিষেধ
নাযিল হতো। রাষ্ট্রের নাগরিকরা রাষ্ট্রের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত না হলে নতুন নতুন
আইন সম্পর্কে তারা কিভাবে জানবে? তখনকার সময়ে রেডিও, টেলিভিশন, খবরের কাগজ কিছুই ছিলো
না। নাগরিকদের পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং বিচারিক বিধিবিধান জানানোর
মাধ্যম ছিলো নিয়মিত বিরতিতে মসজিদে উপস্থিত হওয়া।

 

একটা আইন বাস্তবায়ন করতে হলে সে আইন
সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রচার করতে হয়। নামাজ ছিল কোরআনের আইন কানুন প্রচার
ও প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া। মসজিদে নববীতে সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতিতে কোরআন পড়া
হতো। রাসূল(সাঃ)-এর সাথে যারা নামাজ বা কুরআনের পাঠচক্রে অংশ নিতো। তাদের জন্য কোরআন
তো ছিলো ‘বাংলা’! অর্থাৎ কোরআন তাদের মাতৃভাষা। কোরআন বোঝার জন্য তাদের আলাদা করে ভাষা
ব্যাকরণ কিছুই শেখার প্রয়োজন ছিলো না।

 

ঐতিহাসিক সূত্র মতে আরবের বিভিন্ন গোত্র
তাদের আঞ্চলিক ভাষায় কোরআন পাঠ করতো এবং আঞ্চলিক ভাষায় লিখতো। হযরত ওসমান(রাঃ)-এর
সময় কোরআনের আঞ্চলিক ভাষার কপিগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়। রাসুল(সাঃ)-এর সময়ে মানুষ তাদের
আঞ্চলিক ভাষায় কোরআন পড়তো। অর্থাৎ কোরআন পাঠ ছিল পাঠকের পরিচিত ও বোধগম্য ভাষায়।
অতএব, কোরআন আরবী ভাষায় হলেও এবং পাঠ করলেও আমাদের বোধগম্য ভাষায় তা বুঝতে হবে। (চলবে…………)

 

পূর্ববর্তী পর্বঃ

হাদিস ছাড়া নামাজ পড়বেন কেমনে (পর্ব-১)

(ইন্টারনেট থেকে সংগ্রীহিত ও সম্পাদিত)

পরবর্তী পর্বঃ

হাদিস ছাড়া নামাজ পড়বেন কেমনে (পর্ব-৩)

 

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Featured Articles

  • ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি বনাম সালাফি: মতাদর্শগত পার্থক্য ও বাংলাদেশ–উপমহাদেশে সালাফি চিন্তার প্রভাব

    ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি বনাম সালাফি: মতাদর্শগত পার্থক্য ও বাংলাদেশ–উপমহাদেশে সালাফি চিন্তার প্রভাব

    21/01/2026
  • বিয়ারহলবিদ্রোহ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অদৃশ্য সূচনা

    বিয়ারহলবিদ্রোহ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অদৃশ্য সূচনা

    21/01/2026
  • ধর্মচিন্তা | সালাফি মতবাদ: আদর্শ, বিভাজন ও সমসাময়িক বাস্তবতা

    ধর্মচিন্তা | সালাফি মতবাদ: আদর্শ, বিভাজন ও সমসাময়িক বাস্তবতা

    21/01/2026
  • ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবী আন্দোলন ও খিলাফত: ইতিহাসের সংঘর্ষ

    ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবী আন্দোলন ও খিলাফত: ইতিহাসের সংঘর্ষ

    20/01/2026
  • ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি আন্দোলনঃ ইতিহাস, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও সমসাময়িক বিতর্ক

    ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি আন্দোলনঃ ইতিহাস, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও সমসাময়িক বিতর্ক

    19/01/2026

Search

Author Details

সাত্ত্বিক মহারাজ

“সাত্ত্বিক মহারাজ” একজন চিন্তাশীল বিশ্লেষক, যিনি জাতীয়-আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সমকালীন বিশ্ব পরিস্থিতি এবং ধর্মীয় বিষয়ের নিরপেক্ষ বিশ্লেষক। নীতিবাক্য: “সত্য অন্বেষণে অনুসন্ধিৎসু। মিথ্যা বলি না। মিথ্যাবাদীকে বরদাস্ত করি না।” 📩 যোগাযোগ: khanarsincere@gmail.com ব্লগ: সত্যবাণী ও সত্যকন্ঠ

  • X
  • Instagram
  • TikTok
  • Facebook

Follow Us on

  • Facebook
  • X
  • Instagram
  • VK
  • Pinterest
  • Last.fm
  • TikTok
  • Telegram
  • WhatsApp
  • RSS Feed

Categories

  • Blog (21)
  • News (56)
  • Sports (1)
  • Technology (2)
  • আন্তর্জতিক (128)
  • জাতীয় (236)
  • ধর্ম (180)
  • প্রযুক্তি (25)
  • বাংলাদেশ (11)
  • বিনোদন (30)
  • বিবিধ (13)
  • বিশেষ-লেখা (240)
  • ভূ-রাজনীতি (36)
  • ভ্রমণ (41)
  • রম্য-রচনা (29)
  • রাজনীতি (38)
  • স্বাস্থ্যকথা (22)

Archives

  • January 2026 (30)
  • December 2025 (40)
  • November 2025 (60)
  • October 2025 (47)
  • September 2025 (32)
  • August 2025 (39)
  • July 2025 (30)
  • June 2025 (80)
  • May 2025 (99)
  • April 2025 (65)
  • March 2025 (58)
  • February 2025 (27)
  • January 2025 (48)
  • December 2024 (43)
  • November 2024 (31)
  • October 2024 (7)
  • August 2024 (2)
  • July 2024 (5)
  • June 2024 (10)
  • May 2024 (12)
  • April 2024 (18)
  • March 2024 (15)
  • February 2024 (18)
  • January 2024 (20)
  • December 2023 (12)
  • November 2023 (16)
  • October 2023 (47)
  • September 2023 (24)
  • August 2023 (16)
  • April 2023 (3)
  • March 2023 (11)
  • July 2021 (1)

Tags

#যুক্তরাষ্ট্র #মধ্যপ্রাচ্য #দক্ষিণ_এশিয়া Awami League bangladesh Bangladesh Politics Foreign Policy ICC india Judaism Karaite Judaism Sheikh Hasina অন্তর্বর্তী সরকার অপরিচিত ধর্ম অপরিচিত ধর্মের আলোকে আওয়ামী লীগ আধুনিক সমাজ আধ্যাত্মিকতা ইতিহাস ইব্রাহিমীয় ইসলাম ইহুদিবাদ খ্রিষ্টধর্ম গণতন্ত্র তালমুদ তোরাহ ধর্ম ধর্মচিন্তা ধর্মবিশ্লেষণ ধর্মাচার ধর্মীয় ইতিহাস ধর্মীয় সহিংসতা নাগরিক জীবন নিরাপত্তা বাংলাদেশ বাংলাদেশ রাজনীতি বিবেক বিশ্ব ইতিহাস বিশ্ব ধর্ম মানবতাবাদ রহস্য শান্তিবাদ শেখ হাসিনা সমসাময়িক বিশ্লেষণ সমাজ হালাখা •

About Us

সত্যবাণীঃ সংবাদ ও ধর্ম বিশ্লেষণ

সত্যবাণীঃ বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়া ও বিশ্বরাজনীতি নিয়ে সংবাদভিত্তিক বিশ্লেষণ ও মতামত এবং ধর্মীয় ব্যাখ্যা বিশ্লেষণধর্মী ব্লগ। নীতিবাক্যঃ সত্য অন্বেষণে অনুসন্ধিৎসু। মিথ্যা বলি না। মিথ্যাবাদীকে বরদাস্ত করি না।

📩 যোগাযোগ: khanarsincere@gmail.com ব্লগ: সত্যবাণী ও সত্যকন্ঠ

Latest Articles

  • ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি বনাম সালাফি: মতাদর্শগত পার্থক্য ও বাংলাদেশ–উপমহাদেশে সালাফি চিন্তার প্রভাব

    ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি বনাম সালাফি: মতাদর্শগত পার্থক্য ও বাংলাদেশ–উপমহাদেশে সালাফি চিন্তার প্রভাব

    21/01/2026
  • বিয়ারহলবিদ্রোহ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অদৃশ্য সূচনা

    বিয়ারহলবিদ্রোহ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অদৃশ্য সূচনা

    21/01/2026
  • ধর্মচিন্তা | সালাফি মতবাদ: আদর্শ, বিভাজন ও সমসাময়িক বাস্তবতা

    ধর্মচিন্তা | সালাফি মতবাদ: আদর্শ, বিভাজন ও সমসাময়িক বাস্তবতা

    21/01/2026

Categories

  • Blog (21)
  • News (56)
  • Sports (1)
  • Technology (2)
  • আন্তর্জতিক (128)
  • জাতীয় (236)
  • ধর্ম (180)
  • প্রযুক্তি (25)
  • বাংলাদেশ (11)
  • বিনোদন (30)
  • বিবিধ (13)
  • বিশেষ-লেখা (240)
  • ভূ-রাজনীতি (36)
  • ভ্রমণ (41)
  • রম্য-রচনা (29)
  • রাজনীতি (38)
  • স্বাস্থ্যকথা (22)
  • Instagram
  • Facebook
  • LinkedIn
  • X
  • VK
  • TikTok

Proudly Powered by WordPress | JetNews Magazine by CozyThemes.

Scroll to Top