• About WordPress
    • WordPress.org
    • Documentation
    • Learn WordPress
    • Support
    • Feedback
  • Log in

Home

About Us

Advertisement

Contact Us

  • Facebook
  • X
  • Instagram
  • Pinterest
  • WhatsApp
  • RSS Feed
  • TikTok
1200 x 800

সত্যবাণী

সাত্ত্বিক মহারাজ এর সত্যবাণীঃ সংবাদ ও ধর্ম বিশ্লেষণ

  • Home
  • About Us
    • Terms and Conditions
    • Disclaimer
    • Privacy-Policy
  • News
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • রাজনীতি
    • ভূ-রাজনীতি
  • ধর্ম
  • বিনোদন
  • ভ্রমণ
  • বিশেষ-লেখা
    • প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্যকথা
    • রম্য-রচনা
    • বিবিধ
Search

ভারতের একটি অব্যবহৃত পরিত্যক্ত মসজিদ আগলে রেখেছে হিন্দুরা

সত্যবাণী avatar
সত্যবাণী
21/04/2024

 

২০০ বছর পুরনো বিহার প্রদেশের মারি গ্রামের মসজিদ

অদ্ভুত শোনালেও সত্য যে ভারতের বিহার প্রদেশের নালন্দা জেলার মারি
গ্রামের হিন্দু বাসিন্দারা স্থানীয় মসজিদটিকে ভক্তি শ্রদ্ধার সাথে আগলে রেখেছে। গ্রামে
কোনো মুসলমান না থাকলেও তারা এই মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত আজান নিশ্চিত করে।

 

মসজিদটিতে কোনো ইমাম বা মুয়াজ্জিন নেই। স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দারা
একজন মুয়াজ্জ্বিন রেখেছিলো শুধু পাঁচ ওয়াক্ত আযান দেয়ার জন্য। কিন্তু মসজিদে কেউ নামাজ
পড়তে আসে না, ভবিষ্যতেও আসবে বলে আশা নেই। কারণ গ্রামে এখন আর কোনো মুসলমানের বসবাস
নেই। ফলে তিনি চলে যান। অবশিষ্ট আছে শুধু কোনো এক সময়ে মসজিদে নিয়মিতভাবে নামাজ আদায়
করার স্মৃতি যা মারির হিন্দু বাসিন্দাদের হৃদয় ও মনে গেঁথে আছে। বর্তমানে তারা রেকর্ডকৃত
আযান ব্যবহার করে দৈনন্দিন অনুশীলনকে বাঁচিয়ে রেখেছে।

 

মারি গ্রামের মসজিদটি প্রায় ২০০ বছরের পুরনো। বর্তমানে মসজিদটি মুসলমানদের
উপস্থিতি থেকে বঞ্চিত। তবে হিন্দু বাসিন্দারা ভক্তি প্রদর্শণের জন্য উপস্থিত হয়। প্রচন্ড
গরমে পার্শ্ববর্তি বাড়ির বাসিন্দারা কখনো কখনো মসজিদে আশ্রয় নেয়- তবে তা উপাসনালয়ে
প্রবেশের জন্য যেরূপ সম্মান প্রদর্শণ করার নিয়ম সেরূপ সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শণের
মাধ্যমেই করা হয়।


মসজিদে সমবেত স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দারা

ধর্মীয় উন্মাদনা এবং বিদ্বেষের রাজনীতির এই দুঃসময়ে আমরা যখন একে
অপরের উপাসনালয় ভাংচুর করার চক্রে ডুবে যাচ্ছি, তখন মারি গ্রামের মসজিদ এবং এর প্রাঙ্গনে
মাজারের প্রতি হিন্দুদের শ্রদ্ধা প্রদর্শন একটি অনন্য উদাহরণ হিসাবে বিবেচনার যোগ্য।
তাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং ভ্রাতৃত্ব উদাহরণ হিসেবে প্রতীয়মান।

 

মসজিদের সাদা ধবধবে দেয়াল হিন্দু গ্রামবাসীদের কাছে এর তাৎপর্যের
কথা জানান দেয়। ইমামের নামাজের জন্য নির্ধারিত স্থানের উপরে কোরআনের আয়াত সম্বলিত
একটি ফ্রেমযুক্ত ছবি ঝুলানো হয়েছে। তাতে লেখা আছে: “তোমাদের জন্য তোমাদের বিশ্বাস; আমাদের
জন্য আমাদের।”

 

এতে পবিত্রতার অনুভূতি রয়েছে যা যে কোনও সংগঠিত বা প্রতিষ্ঠিত ধর্মের
সীমা ছাড়িয়ে যায়। মারির হিন্দুরা এই লেখাগুলো ভালো অবস্থায় আছে কিনা তা নিশ্চিত
করার জন্য যত্ন নেয়।

 

মিম্বরে যেখান থেকে অতীতে ইমাম খুতবা দিতেন সেখানে বেশ কয়েকটি বই
রাখা আছে। হিন্দিতে কোরআন এবং সাচ্চি নামাজ বইয়ের একটি অনুলিপি আছে।


 

মসজিদের মিম্বরে রক্ষিত ধর্মগ্রন্থ

মারি গ্রামটি নালন্দা শহর থেকে ১৪-১৫ কিমি দূরে। নিজস্ব পরিবহন নিয়ে
(প্রাইভেট কার) এখানে পৌঁছানো সহজ নয়। সরু, বাঁকানো, জরাজীর্ণ এবং জায়গায় জায়গায়
কাঁচা রাস্তা ধরে – পায়মার নদীর ওপারে বাঁধের উপর দিয়ে মারি পৌঁছা যায়। গ্রামে বেশির
ভাগই পাকা বাড়ি। বাসিন্দাদের মধ্যে নিরক্ষরতা একটি বড় সমস্যা। কৃষিকাজের বাইরে উপার্জনের
তেমন মাধ্যম নেই।


মসজিদের পাশ দিয়ে অতিবাহিত মারি গ্রামের প্রধান সড়ক

মারি এবং তার আশেপাশের গ্রামগুলিতে কোনও মুসলমান নেই। জমিদারি প্রথা
বিলুপ্ত হওয়ার পরপরই, সাতচল্লিশের পরে, মারি এবং আশেপাশের গ্রামগুলির মুসলমানরা স্থানান্তরিত
হতে শুরু করে।

 

বহু বছর ধরে মারি গ্রামের হিন্দুরা প্রতিদিন নিয়মিত মসজিদে আজানের
অনুশীলন নিশ্চিত করে চলেছে যা গ্রাম জুড়ে অনুরণিত হচ্ছে। মসজিদের সাথে গ্রামবাসীদের
বন্ধন এতো দীর্ঘ যে, এটি এখন তাদের সম্মিলিত স্মৃতি এবং ঐতিহ্যের অংশ যা যারা চলে গেছে
তাদের প্রতি ভালোবাসার টান। এক সময় গ্রামের অর্ধেক বাসিন্দা মুসলমান ছিল। এখন মারিতে
কেবল হিন্দু- প্রধানত কুর্মি এবং পাসওয়ান সেইসাথে অন্যান্য বর্ণের লোক বসবাস করে।

 

বরযাত্রীর মিছিল প্রথমে আশীর্বাদের জন্য মসজিদের কাছে থেমে ভক্তি প্রদর্শন
ছাড়া কোনও বিবাহ সম্পূর্ণ হয় না। মুসলমানরা গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার পর যখন মসজিদটি
ব্যবহৃত পড়ে থাকে তখন হিন্দুরা এর যত্ন নিতে শুরু করে। প্রতিদিন পুরো চত্বর পরিষ্কার
করে এবং বাতি জ্বালায়।

 

মারি গ্রামের বাসিন্দারা মসজিদটি গ্রামের প্রাণ বলে মনে করে। তারা
গর্বিত বোধ করে যে, বংশ পরম্পরায় তারা মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণে অবদান রাখতে সক্ষম। মসজিদের
কোনো নাম নেই। মসজিদ চত্বরে বাবা হযরতের মাজার অবস্থিত বলে গ্রামবাসী একে দরগাহ বলে।

 

মসজিদের প্রধান দরজার কাছাকাছি দেয়ালে একটি ছোট তাক রয়েছে, যেখানে
একটি বর্গাকার পাথর রয়েছে। গ্রামবাসীরা এটির নাম দিয়েছে ‘জার মেহের’। তারা বিশ্বাস
করে, এই পাথরের একটি মাত্র স্পর্শই বিভিন্ন উপসর্গ নিরাময় সম্ভব – যা লোকগাঁথা হিসেবে
সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। তারা এতে শান্তি অনুভব করে। তবে পাথরের উৎপত্তি সম্পর্কে কেউ
খুব একটা জানে না।

 

প্রচলিত আছে, কোনো এক সময়ে এখানে একজন সুফি সাধকের উপস্থিতি ঘটেছিলো
যা গ্রামবাসীদের জন্য একটি তাবিজের মতো কাজ করে। তাদের সব ধরণের বিপর্যয় থেকে নিরাপদ
রাখে। প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে গ্রামবাসী প্রথমে মসজিদে যায়। তারপর মাতা রানীর
মন্দির ও অন্যান্য জায়গা পরিদর্শন করে।

 

তারা মনে করে জাতি-বর্ণ অপ্রাসঙ্গিক। সবাই একসাথে বসবাস করতে পারা
গুরুত্বপূর্ণ। তাদের কাছে একটি মসজিদ বা মন্দির নির্দিষ্ট উপাসনালয় কিনা তা অমূলক।
 তারা মাতা রানীর মন্দিরে যেমন সেবা করে, মসজিদেও
একই কাজ করে।

 

যদিও হিন্দুরাই মসজিদের দেখাশোনা করে, তবে দুয়েকজন মুসলমান যাদের সেখানে
এখনো বাড়ি বা ঠিকানা আছে অথচ শহরে বসবাস করে তারা মাঝেমধ্যে সেখানে যায়। ‘ভুট্টু মিয়া’
নাম্মী একজন কিছুটা জনপ্রিয়ভাবে পরিচিত। তিনি সপরিবারে তার গ্রামের মাযারে যান। তিনি
বিহার শরীফে অর্থাৎ নালন্দা জেলার দফতরে থাকেন। কিন্তু মারি গ্রামে তার শিকড় প্রথিত।
তিনি তিন দশকেরও বেশি আগে গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়া মুসলমানদের শেষ প্রজন্মের। মসজিদের
পাশেই তার বাড়ি, যেটির মালিকানা এখনো অব্যাহত রেখেছেন।

 

গ্রামবাসীর আচরণে বোঝা যায় আজও দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্ক ভ্রাতৃত্বের।
অনেক ক্ষেত্রে গ্রামের হিন্দুরা মুসলমানদের মালিকানাধীন সম্পত্তি দেখাশোনা করে। তারা
মনে করে, গ্রামে কোনো মুসলমান নেই, কিন্তু তাদের সঙ্গে আমাদের সবসময়ই সৌহার্দ্যপূর্ণ
সম্পর্ক ছিল। আমরা একে অপরের উত্সব অনুষ্ঠানেও অংশ নেই।

 

হিন্দু বা মুসলমান,
রক্ত একই

গ্রামবাসী এখনো মুসলমানদের গ্রামে ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী। তারা মনে করে
যে, মসজিদের প্রতি হিন্দুদের বিশ্বাস ২০০ বছর আগের। বর্তমানে গ্রামের হিন্দু বাসিন্দারাই
মসজিদটি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বহন করে।

 

মসজিদের প্রধান দরজার কাছে কুলুঙ্গিতে রাখা নিরাময় পাথরটি একবার চুরি
হয়েছিল। পরে চোর পাথরটি যেভাবে ছিলো সেভাবে রেখে যায়। তাদের বিশ্বাস, চোর নিশ্চয়ই
কোনো দুর্ভাগ্যের সম্মুখীন হয়েহিলো, ফলে পাথরটি ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে।

 

আজান নিয়ে গ্রামবাসী কারও কোনো সমস্যা নেই। যেখানেই এমন ঘটনা ঘটছে
তা রাজনৈতিক কারণে। এসব করা হচ্ছে ক্ষমতা দখলের জন্য। তাদের বিশ্বাস, কেবল দুটি জাতি
আছে – পুরুষ এবং মহিলা। হিন্দু হোক বা মুসলমান তাদের শিরায় রক্ত বইছে একই রকমের।

 

অভিবাসনের কারণ
সাম্প্রদায়িকতা নয়, রাজনৈতিক

স্থানীয় সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে ১৯৪২, ১৯৪৬ এবং ১৯৮১ সালে মারি থেকে
মুসলমানদের অভিবাসন সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কারণে শুরু হয়েছিল বলে প্রচলিত থাকলেও
গ্রামবাসী কেউ কেউ এ ধরনের কথা খণ্ডন করে বলেন, মুসলমানরা উন্নত জীবনের সন্ধানে গ্রাম
ছেড়েছিলো।

 

গ্রামবাসী কেউ কেউ মনে করেন- বিহার শরীফ, দিল্লি এবং কলকাতায় মুসলমানদের
অভিবাসনের প্রধান কারণ মূলত গ্রামীণ এলাকায় ব্যবসার সুযোগের অভাব। এটি এমন নয় যে
তারা সাম্প্রদায়িকতার কারণে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিল। কিছু মুসলমান এখনও এখানে জমির
মালিক। গ্রামবাসীরা ভাগাভাগির ভিত্তিতে সেগুলি চাষ করে।



Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Featured Articles

  • ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি বনাম সালাফি: মতাদর্শগত পার্থক্য ও বাংলাদেশ–উপমহাদেশে সালাফি চিন্তার প্রভাব

    ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি বনাম সালাফি: মতাদর্শগত পার্থক্য ও বাংলাদেশ–উপমহাদেশে সালাফি চিন্তার প্রভাব

    21/01/2026
  • বিয়ারহলবিদ্রোহ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অদৃশ্য সূচনা

    বিয়ারহলবিদ্রোহ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অদৃশ্য সূচনা

    21/01/2026
  • ধর্মচিন্তা | সালাফি মতবাদ: আদর্শ, বিভাজন ও সমসাময়িক বাস্তবতা

    ধর্মচিন্তা | সালাফি মতবাদ: আদর্শ, বিভাজন ও সমসাময়িক বাস্তবতা

    21/01/2026
  • ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবী আন্দোলন ও খিলাফত: ইতিহাসের সংঘর্ষ

    ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবী আন্দোলন ও খিলাফত: ইতিহাসের সংঘর্ষ

    20/01/2026
  • ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি আন্দোলনঃ ইতিহাস, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও সমসাময়িক বিতর্ক

    ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি আন্দোলনঃ ইতিহাস, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও সমসাময়িক বিতর্ক

    19/01/2026

Search

Author Details

সাত্ত্বিক মহারাজ

“সাত্ত্বিক মহারাজ” একজন চিন্তাশীল বিশ্লেষক, যিনি জাতীয়-আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সমকালীন বিশ্ব পরিস্থিতি এবং ধর্মীয় বিষয়ের নিরপেক্ষ বিশ্লেষক। নীতিবাক্য: “সত্য অন্বেষণে অনুসন্ধিৎসু। মিথ্যা বলি না। মিথ্যাবাদীকে বরদাস্ত করি না।” 📩 যোগাযোগ: khanarsincere@gmail.com ব্লগ: সত্যবাণী ও সত্যকন্ঠ

  • X
  • Instagram
  • TikTok
  • Facebook

Follow Us on

  • Facebook
  • X
  • Instagram
  • VK
  • Pinterest
  • Last.fm
  • TikTok
  • Telegram
  • WhatsApp
  • RSS Feed

Categories

  • Blog (21)
  • News (56)
  • Sports (1)
  • Technology (2)
  • আন্তর্জতিক (128)
  • জাতীয় (236)
  • ধর্ম (180)
  • প্রযুক্তি (25)
  • বাংলাদেশ (11)
  • বিনোদন (30)
  • বিবিধ (13)
  • বিশেষ-লেখা (240)
  • ভূ-রাজনীতি (36)
  • ভ্রমণ (41)
  • রম্য-রচনা (29)
  • রাজনীতি (38)
  • স্বাস্থ্যকথা (22)

Archives

  • January 2026 (30)
  • December 2025 (40)
  • November 2025 (60)
  • October 2025 (47)
  • September 2025 (32)
  • August 2025 (39)
  • July 2025 (30)
  • June 2025 (80)
  • May 2025 (99)
  • April 2025 (65)
  • March 2025 (58)
  • February 2025 (27)
  • January 2025 (48)
  • December 2024 (43)
  • November 2024 (31)
  • October 2024 (7)
  • August 2024 (2)
  • July 2024 (5)
  • June 2024 (10)
  • May 2024 (12)
  • April 2024 (18)
  • March 2024 (15)
  • February 2024 (18)
  • January 2024 (20)
  • December 2023 (12)
  • November 2023 (16)
  • October 2023 (47)
  • September 2023 (24)
  • August 2023 (16)
  • April 2023 (3)
  • March 2023 (11)
  • July 2021 (1)

Tags

#যুক্তরাষ্ট্র #মধ্যপ্রাচ্য #দক্ষিণ_এশিয়া Awami League bangladesh Bangladesh Politics Foreign Policy ICC india Judaism Karaite Judaism Sheikh Hasina অন্তর্বর্তী সরকার অপরিচিত ধর্ম অপরিচিত ধর্মের আলোকে আওয়ামী লীগ আধুনিক সমাজ আধ্যাত্মিকতা ইতিহাস ইব্রাহিমীয় ইসলাম ইহুদিবাদ খ্রিষ্টধর্ম গণতন্ত্র তালমুদ তোরাহ ধর্ম ধর্মচিন্তা ধর্মবিশ্লেষণ ধর্মাচার ধর্মীয় ইতিহাস ধর্মীয় সহিংসতা নাগরিক জীবন নিরাপত্তা বাংলাদেশ বাংলাদেশ রাজনীতি বিবেক বিশ্ব ইতিহাস বিশ্ব ধর্ম মানবতাবাদ রহস্য শান্তিবাদ শেখ হাসিনা সমসাময়িক বিশ্লেষণ সমাজ হালাখা •

About Us

সত্যবাণীঃ সংবাদ ও ধর্ম বিশ্লেষণ

সত্যবাণীঃ বাংলাদেশ, দক্ষিণ এশিয়া ও বিশ্বরাজনীতি নিয়ে সংবাদভিত্তিক বিশ্লেষণ ও মতামত এবং ধর্মীয় ব্যাখ্যা বিশ্লেষণধর্মী ব্লগ। নীতিবাক্যঃ সত্য অন্বেষণে অনুসন্ধিৎসু। মিথ্যা বলি না। মিথ্যাবাদীকে বরদাস্ত করি না।

📩 যোগাযোগ: khanarsincere@gmail.com ব্লগ: সত্যবাণী ও সত্যকন্ঠ

Latest Articles

  • ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি বনাম সালাফি: মতাদর্শগত পার্থক্য ও বাংলাদেশ–উপমহাদেশে সালাফি চিন্তার প্রভাব

    ধর্মচিন্তা | ওয়াহাবি বনাম সালাফি: মতাদর্শগত পার্থক্য ও বাংলাদেশ–উপমহাদেশে সালাফি চিন্তার প্রভাব

    21/01/2026
  • বিয়ারহলবিদ্রোহ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অদৃশ্য সূচনা

    বিয়ারহলবিদ্রোহ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অদৃশ্য সূচনা

    21/01/2026
  • ধর্মচিন্তা | সালাফি মতবাদ: আদর্শ, বিভাজন ও সমসাময়িক বাস্তবতা

    ধর্মচিন্তা | সালাফি মতবাদ: আদর্শ, বিভাজন ও সমসাময়িক বাস্তবতা

    21/01/2026

Categories

  • Blog (21)
  • News (56)
  • Sports (1)
  • Technology (2)
  • আন্তর্জতিক (128)
  • জাতীয় (236)
  • ধর্ম (180)
  • প্রযুক্তি (25)
  • বাংলাদেশ (11)
  • বিনোদন (30)
  • বিবিধ (13)
  • বিশেষ-লেখা (240)
  • ভূ-রাজনীতি (36)
  • ভ্রমণ (41)
  • রম্য-রচনা (29)
  • রাজনীতি (38)
  • স্বাস্থ্যকথা (22)
  • Instagram
  • Facebook
  • LinkedIn
  • X
  • VK
  • TikTok

Proudly Powered by WordPress | JetNews Magazine by CozyThemes.

Scroll to Top