আমেরিকার
প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে অস্ত্র বিক্রি করা ও ষড়যন্ত্র তত্ত্বের বাস্তবায়ন। বিশ্ব মোড়ল
হতে রাশিয়া অস্ত্র ও তেল বিক্রি দুটোই সমানে চালাতে চাইবে। চীনের লক্ষ্য হচ্ছে
আগামীদিনের প্রযুক্তির বাজার দখল।তাই এই তিন পরাশক্তির কাছে এই মুহূর্তে পৃথিবীতে সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ দেশ হচ্ছে ভারত। ভারতের লক্ষ্য হচ্ছে নিজের দেশকে সবদিক থেকে
স্বয়ংসম্পূর্ণ করা। সেইদিকেই এগিয়ে যাচ্ছে ভারত। কোন পরাশক্তির সাথেই তারা কোন
যুদ্ধে জড়াবে না। এক্ষেত্রে ভারত তার আশে পাশে কোন সাম্প্রদায়িক বিষবাস্প উঠে
দাঁড়াতে দিবে না।
| প্রতীকী ছবি |
আমেরিকার
আরেকটি লক্ষ্য হচ্ছে চীনের আগ্রাসন ঠেকানো। এক্ষেত্রে ভারতকে পাশে রাখতে ভারতের
প্রতিবেশীদের দিয়ে ভারতকে কিছুটা চাপে রাখলে জাতীয় স্বার্থে তারা ভারতের সাথেই
জোটবদ্ধ হয়ে থাকবে। অপরদিকে রাশিয়া তার তেল ও অস্ত্র বিক্রির জন্য ভারতের
বন্ধুত্ব কোনভাবেই হাতছাড়া করবে না। চীন যে লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে তার ১১৮
বিলিয়ন ডলারের বাজার সে কিছুতেই নষ্ট করবে না।
দক্ষিণ
এশিয়ায় আমেরিকার আগ্রাসন ঠেকাতে চীন এই মুহুর্তে ভারতের সাথে কোন সংঘর্ষে জড়াবে
না। যদিও জড়ায় এইক্ষেত্রে মধ্যস্থতায় থাকবে রাশিয়া।
ভারতকে
স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হলে এই তিন পরাশক্তিকে ব্যালান্সড করে চলতে হবে। ভারত সেই
লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। চীনকে ঠেকাতে ভারত যেমন আমেরিকার সাথে কোয়াডে যোগ দিয়েছে।
ঠিক তেমনি আমেরিকার বিকল্প শাসন ব্যবস্থা তৈরিতে রাশিয়া ও চীনের সাথে ব্রিকসেও
যুক্ত আছে। পৃথিবীর তিন পরাশক্তির লড়াইয়ে সবচেয়ে উপকৃত হবে ভারত।
ভারতের
উন্নতির পথে সবচেয়ে বড় বাঁধা হচ্ছে জঙ্গীস্থান পাকিস্তান। পাকিস্তান সবসময়
হিন্দু ও মুসলমান সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টি করে তার নিজ দেশে রাজনৈতিক ফায়দা
তুলতে চায়। কথায় আছে, রাজনৈতিক নেতারা যখন সবদিক থেকে দূর্নীতিগ্রস্থ ও দেউলিয়া
হওয়ার পথে হাঁটতে থাকেন তখন তাদের সর্বশেষ হচ্ছে অন্যের গোলামি করে সাম্প্রদায়িক
মৌলবাদ উস্কে দেওয়া।
নিজ
দেশের চারপাশে এই মৌলবাদীদের শায়েস্তা করতে পারলেই ভারত তার লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে।
এক্ষেত্রে প্রথম ছোট ভাইকে মেরে বড় ভাইকে শায়েস্তা নাকি বড় ভাইকে মেরে ছোট
ভাইকে শায়েস্তা করা হয় তাই এখন দেখার বিষয়।
“ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ নিয়ে যারা এখন খুশিতে লাফাচ্ছেন, গরুর মাংস
১৫০০ টাকা হলে কিন্তু ঘুম থেকে দুঃস্বপ্নে চিতকার দিয়ে উঠবেন! আমেরিকা আর একাত্তরের
হানাদার পাকিস্তানের ফাঁদে পা দিয়ে যদি আরাকান আর্মিকে দাওয়াত দিয়ে ঘরে এনে বসান,
তাহলে শেষে নিজের পায়ে কুড়াল মেরে বসবেন!”
সত্য
সবসময় সুন্দর।
আলফ্রেড নোবেল (আংশিক সম্পাদিত)







Leave a Reply