মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ
আমার বড়মামা, প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা জালাল উদ্দিন খান। আমার
আমার নানাবাড়ি ছিলো পাবনা জেলার সুজানগর থানার সিংহনগর গ্রামে।
১৯৬৫ সালের প্রথম দিকের কথা। পঞ্চম শ্রেণীর ফাইনাল এবং বৃত্তি
মামাবাড়ি গিয়ে মামার নতুন বাইসাইকেল দেখে বায়না ধরলাম সাইকেল
বড়মামা এক জায়গায় অংক শিখতে যেতেন। যে কয়দিন ছিলাম, বড়মামা
মজার ব্যাপার হলো, তিনি যার কাছে অংক শিখতে যেতেন তিনি ছিলেন
শীতের দিন। প্রাইমারি স্কুল প্রাঙ্গনে রোদে পিঠ দিয়ে কয়েকজন
বড়মামা যখন মেট্রিক পাশ করেন তখন পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ ছাড়া তার
১৯৬৯ সালে বিএ ফাইনাল পরীক্ষার তিনমাস আগে টানাপোড়েন সংসারে
চাকরিটা যে তার জন্য উপযোগী ছিলো না তা বুঝতে পেরে, অতঃপর সামনে বিএ
কিন্তু সেই বছর আর তার বিএ পরীক্ষা দেয়া হয়নি। দেশে এসে তিনি প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। সময় গড়িয়ে যায়, শুরু হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ। যোগদান
এপ্রিল কি মে মাসে পাবনায় মিলিটারিরা বড়সড় এক অপারেশন চালায়।
একটু উর্দু জানা থাকায় এবং সরকারি চাকরি শিক্ষকতা পেশায় থাকায়
দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার পর মামা প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকতায়
সে বছর অর্থাৎ ১৯৭৫ সালে হঠাৎ করে ‘কঞ্জুমার্স সাপ্লায়ার্স’ কোম্পানি বন্ধ হয়ে
সত্যবাদিরা স্বভাবতঃই একটু গোঁয়ার টাইপের হয়। মিথ্যা সহ্য করতে
এটাই ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী সরকারের আচরণ!
Featured Articles
Search
Author Details

সাত্ত্বিক মহারাজ
“সাত্ত্বিক মহারাজ” একজন চিন্তাশীল বিশ্লেষক, যিনি জাতীয়-আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও সমকালীন বিশ্ব পরিস্থিতি এবং ধর্মীয় বিষয়ের নিরপেক্ষ বিশ্লেষক। নীতিবাক্য: “সত্য অন্বেষণে অনুসন্ধিৎসু। মিথ্যা বলি না। মিথ্যাবাদীকে বরদাস্ত করি না।” 📩 যোগাযোগ: khanarsincere@gmail.com ব্লগ: সত্যবাণী ও সত্যকন্ঠ







Leave a Reply