বাবু কহিলেন, বুঝলি নৃপেন- যাচ্ছিলাম পথ ধরে,
একলা পেয়ে খগেন বেটা শাসিয়ে দিলো মোরে।
বলে, ফের যদি মোর বৌ-এর পানে তাকাও,
ভেঙ্গে ঠ্যাং দেবো ধরিয়ে হাতে সাথে ছশমার ফ্রেমটাও।
- বুঝেছি, বেটা একলা পেয়ে নিয়েছে একহাত,
থাকলে আমি খগেন বেটার হতো কি হিম্মত!
– পারবি নাকি দিতে ভেঙে ঠ্যাং, বুঝতো বেটা রেশ!
– তা আর বলতে, কিন্তু বাবু হয় যদি কেসটেস?
- চিন্তা কি তোর, আমি তো আছি, পুলিশের কি সাধ্য?
ধরতে এলে খগেন বেটাকেই ফাঁসিয়ে দেবো উল্টো।
কর্ত্তার অভয়ে খগেনকে যেই একলা পেলো বাটে
মারতে ঠ্যাঙে ভুল করে তা লাগলো গিয়ে মাথে।
পুলিশ এলে বাড়ি,
দৌড়ে নৃপেন পালাতে যায় কর্তাবাবুর বাড়ি।
- ওহে নৃপেন, করলি কি তুই? আমিও বুঝি ফাঁসি!
- যা না বাড়ি, ভয় কিরে তোর, ‘আমিতো আছি, না কি?
পুলিশ যখন যাচ্ছে নিয়ে ধরে,
বললো নৃপেন, এখন বাবু কে বাঁচাবে মোরে?
বাবু কহিলেন, ভয় কিরে তোর, ‘আমিতো আছি না কি’?
জেলে ভরে তোকে, ক’দিনই বা আর রাখতে পারে দেখি!
- কিন্তু বাবু, বৌ-টা যে মোর যৌবনেতে ঠাসা,
- পাড়ার যত ছোকরা যদি বিলোয় ‘ভালবাসা’!
- ধুর বোকা! ওসব কি আর হবে আমায় বলতে?
থাকতে আমি ছোকরা ছোঁড়া চান্স পাবে এই মর্তে?
“লাগলে আনা সিকি।
‘আমিতো আছি না কি’?”
আতাউর রহমান খান
কৌতুহলনধতঃ জীবনে এই একটি কবিতাই লিখেছিলাম। ব্লগে রেখে দিলাম। ভুলত্রুটি মার্জনীয়।









Leave a Reply