মৃত্যু দুয়ার থেকে ফিরে আসা এক রোমহর্ষক কাহিনী –

সূচনাঃ সাল: ২০১০-১২ থাকতাম নারায়ণগঞ্জ। মেয়ের বাসা উত্তরা। মেয়ে সবার বড় সন্তান। ছেলে দুজনই পড়াশুনার জন্য একেকজন একেক জায়গায়। বাসায় শুধু আমরা দুজন থাকি।   একদিন স্ত্রী গেছে মেয়ের বাসায় বেড়াতে। এমন অবস্থায় আমার আহারাদী সম্পন্ন করতে হতো বাইরে। একরাতে বিরিয়ানী খেয়ে বাসায় ফিরেছি। তারপর একটু একটু পেট ব্যাথা। মহল্লার ওষুধের দোকানদার ভাই প্যারামেডিক্স। খবর […]

মৃত্যু দুয়ার থেকে ফিরে আসা এক রোমহর্ষক কাহিনী – Read More »

তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়ার লেখা সাহিত্য নিয়ে পিএইচডির করছেন ৫ গবেষক

  সাহেব-দিল্লি পর্যন্ত যাওয়ার পয়সা নেই, দয়া করে ডাকযোগে পুরস্কার পাঠিয়ে দিন! হলধর নাগ , যার নামের আগে  কখনও শ্রী লাগেনি, খান তিনেক জামা, একটি ছেঁড়া রাবার চপ্পল, একটা  অ-খিলানযুক্ত চশমা এবং ৭৩২ টাকার জমা মূলধনের মালিক…..আজ পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত।    ইনি হলেন পশ্চিম উড়িশ্যার বাসিন্দা হলধর নাগ। যিনি কোসলি ভাষার বিখ্যাত কবি।    বিশেষ কথা

তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়ার লেখা সাহিত্য নিয়ে পিএইচডির করছেন ৫ গবেষক Read More »

গরীবের ভ্রমণ বিলাস (পর্ব-৩৪): আগরতলার মানিক্য রাজ বংশের রাজ প্রাসাদ পরিদর্শন

  ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় অবস্থিত ‘উজ্জয়ন্ত প্রাসাদ’ নামের প্রাসাদটি আগরতলার মানিক্য রাজ বংশের রাজ প্রাসাদ ছিলো। প্রাসাদটি ১৮৯৯ থেকে ১৯০১ সালের মধ্যে মহারাজা “রাধা কিশোর মাণিক্য দেব বর্মন” নির্মাণ করেন। এটি ইউরোপীয় শৈলী দ্বারা অনুপ্রাণিত বাগানদ্বারা বেষ্টিত দুটি হ্রদের তীরে অবস্থিত। ১৯৪৯ সালের অক্টোবরে ত্রিপুরা রাজ্যভারতে একীভূত হওয়ার আগ পর্যন্ত এটি তৎকালিন শাসক মাণিক্য রাজবংশের বাড়ি ছিলো।    ১৯৭২-৭৩ সালে ত্রিপুরা সরকার রাজপরিবারের কাছ থেকে প্রাসাদটি ২৫

গরীবের ভ্রমণ বিলাস (পর্ব-৩৪): আগরতলার মানিক্য রাজ বংশের রাজ প্রাসাদ পরিদর্শন Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১৪)

কাজী হেদায়েত হোসেন কাজী হেদায়েত হোসেন ছিলেন সমাজ সেবক, রাজনীতিবিদ, ক্রীড়া অনুরাগী ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। তিনি হিলেন বঙ্গবন্ধুর খুব আস্থাভাজন। তিনি ১৯৬২ ও ১৯৭০ সালে পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে তিনি অন্যতম সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের পশ্চিমাঞ্চলের যুবকদের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনের জন্য ভারতের পশ্চিম বাংলার কল্যানীতে স্থাপিত “যুব অভ্যার্থনা শিবির”

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১৪) Read More »

রোজা : সেকালে-একালে

আমাদের ছেলেবেলায় দেখেছি সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ লোক রোজা থাকতো। বাকি ৫০ শতাংশের মধ্যে অপারগ, অনিচ্ছুক, রোগগ্রস্থ, শিশু ইত্যাদি। এই ৫০ শতাংশ লোক নির্বিঘ্নে খাওয়া-দাওয়া করতো। আমার ছেলেবেলা বলতে কমপক্ষে ৫০-৫৫ বছর আগের কথা।   তখনকার দিনে একজন কৃষি দিনমজুরকে সূর্যদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কাজ করতে হতো। সে সময়কার নিয়মানুযায়ী গৃহস্থবাড়িতেই দিনমজুরদের তিনবেলা খাবারের

রোজা : সেকালে-একালে Read More »

এডিটিংয়ের মুনশিয়ানা পারফেক্ট হয়েছে। ধন্যবাদ আতা ভাই। কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ হলাম।🙏

Read More »

ইতিহাসের বড় শিক্ষাঃ “কেউ ইতিহাস হতে শিক্ষা নেয় না”‼️ – মো: আলী হোসেন

‘এরন বুশনেল’ নামটি এই মুহূর্তে টক অব দ্য ওয়ার্ল্ড সারাবিশ্বের সংবাদ মাধ্যম এরন বুশনেলকে শিরোনাম করে খবর ছাপিয়েছে। ফিলিস্তিনের গাজায় মার্কিন সমর্থনে ইসরায়েলের গণহত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে সে ওয়াশিংটনে  ইসরায়েলের দূতাবাসের সামনে নিজের শরীরে আগুন দিয়ে আত্মাহুতি দিয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, টেক্সাসের সান অ্যান্টোনিওর বাসিন্দা ওই সেনার নাম অ্যারন বুশনেল। তাঁর বয়স ২৫ বছর। তিনি মার্কিন

ইতিহাসের বড় শিক্ষাঃ “কেউ ইতিহাস হতে শিক্ষা নেয় না”‼️ – মো: আলী হোসেন Read More »

একুশে পদক প্রাপ্ত সাদা মনের মানুষ জিয়াউল হক

ভদ্রলোক পেলেন একুশে পদক। তাকে দেখতে অনেকে তার বাড়িতে যাচ্ছে। কিন্তু সকাল থেকে তিনি বাড়িতে নেই। ঘরে চাল কেনার টাকা না থাকায় দই ও ক্ষীর বিক্রি করতে বের হয়েছেন। ৯০ বছরের বৃদ্ধ সাধারণ মানুষটার একুশে পদক পাওয়ার কারণ কী? ভদ্রলোক নিজের নামে একটা পাঠাগার গড়েছেন ১৯৬৯ সালে। সময়ের পরিক্রমায় তার পাঠাগারে এখন বইয়ের সংখ্যা ১৪০০০!

একুশে পদক প্রাপ্ত সাদা মনের মানুষ জিয়াউল হক Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১৩)

হিমানীশ গোস্বামী হিমানীশ গোস্বামী ১৮ মার্চ ১৯২৬ তারিখে বর্তমান রাজবাড়ী জেলার কালুখালি উপজেলার কালিকাপুর গ্রামে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক ও আদি বাড়ি একই উপজেলার রতনদিয়া গ্রামে, যে গ্রামের কেন্দ্রে অবস্থিত রতনদিয়া বাজার, রতনদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও বর্তমানে গড়ে উঠছে উপজেলা শহর।   হিমানীশ গোস্বামী একজন বিশিষ্ট রসসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও কার্টুনিষ্ট। তার পিতা পরিমল গোস্বামী

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১৩) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১২)

কাজী আবদুল ওদুদ কাজী আবদুল ওদুদ ছিলেন একজন কৃতী অধ্যাপক, চিন্তাশীল বাঙালী প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, বিশিষ্ট সমালোচক, নাট্যকার ও জীবনীকার। বিশের দশকে ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ এবং “শিখা” পত্রিকাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত বুদ্ধিমুক্তি আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তি ছিলেন তিনি।   কাজী আবদুল ওদুদ ১৮৯৪ সালের ২৬ এপ্রিল বর্তমান রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১২) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১১)

ডক্টর সানজীদা খাতুন  সানজীদা খাতুন ০৪ এপ্রিল, ১৯৩৩ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত পণ্ডিত ব্যক্তি ও জাতীয় অধ্যাপক ড. কাজী মোতাহার হোসেন।  জনপ্রিয় গোয়েন্দা উপন্যাস “মাসুদ রানা” ধারাবাহিকের লেখক  কাজী আনোয়ার হোসেন তার ছোটভাই। তিনি ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা রবীন্দ্রসঙ্গীত বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদুল হকের স্ত্রী।   সানজীদা খাতুন বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ও সঙ্গীতজ্ঞ। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১১) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১০)

রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই রোকনুজ্জামান খান  ০৯ এপ্রিল ১৯২৫ তারিখে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলায় বিখ্যাত ব্যক্তি রওশন আলী চৌধুরী ও এয়াকুব আলী চৌধুরীর বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তারা ছিলেন তার নানা। তার পৈত্রিক বাড়ি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানার ভবানীপুর গ্রামে।   তার স্ত্রী বাংলাদেশের নারী ব্যক্তিত্ব “বেগম” সম্পাদক নূরজাহান বেগম। প্রখ্যাত ব্যাক্তি সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ছিলেন

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-১০) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৯)

পরিমল গোস্বামী পরিমল গোস্বামীঃ ১৮৯৭ সালের ১লা সেপ্টেম্বর বৃটিশ ভারতের অধুনা বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলা বর্তমানে রাজবাড়ি জেলার কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক। তিনি রস-রচনা ও ব্যঙ্গাত্মক রচনার জন্য সমধিক পরিচিত। রবীন্দ্রোত্তর যুগে যে সকল সাহিত্যিক বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন পরিমল গোস্বামী তাদের অন্যতম।   “এমন একজন কীর্তিমানের বাড়ি

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৯) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৮)

জলতরঙ্গ বাদ্যযন্ত্রের পথিকৃৎ রাজবাড়ীর কৃতি সন্তান বামনদাস গুহরায় বামন দাস গুহরায়ঃ জন্ম রাজবাড়ী জেলার সজ্জনকান্দা গ্রামে। পিতা তারকনাথ গুহ ছিলেন আইনজীবী ও সমাজসেবক। এই প্রথিতজশা শিল্পী মাত্র ৫৮ বছর বয়সে ১৯৬৮ সালে সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি বাদ্য যন্ত্রের নতুন এক শব্দের জন্ম দেন। যার নাম ‘জলতরঙ্গ’। ভারতের আকাশবানী থেকে যখন এই

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৮) Read More »

জীবনযোদ্ধার রোজনামচা (০৮-০২-২০২৪)

ব্যাক্তিগত প্রসঙ্গ যে ঘটনা লিখতে যাচ্ছি তাতে ব্যক্তিগত প্রসঙ্গ টানতেই হচ্ছে। জীবন নামক রেল গাড়িটার গতি শ্লথ হয়ে আসছে। ‘ইঞ্জিনের দুই এক জায়গায় ময়লা জমে, সেসব পরিষ্কার করতে হয়। অনেক সময় দুয়েকটি “অক্সিলারী” পার্টস – অন্যান্য জরুরী পার্টসের ক্রিয়া নিস্কন্টক রাখতে বাদও দিতে হয়। তারপর যেদিন মেইন সুইচ “ঠাস” করে অফ হয়ে যাবে, ইঞ্জিন আর

জীবনযোদ্ধার রোজনামচা (০৮-০২-২০২৪) Read More »

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৭)

ডক্টর রাজিয়া খান রাজিয়া খান  বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক। লেখালেখি ছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন মঞ্চে অভিনয় করেছেন। রাজিয়া খান ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ রাজবাড়ী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মৌলভী তমিজউদ্দিন খান অবিভক্ত বাংলার মন্ত্রী, আইন সভার সদস্য এবং পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পীকার ছিলেন। তার মায়ের নাম রাবেয়া রাহাত খান।   রাজিয়া খান স্কুল ও কলেজ জীবন শেষ

রাজবাড়ী জেলার কীর্তিমানদের কথা (পর্ব-৭) Read More »

Scroll to Top