শাহরুখ খানের কুটনৈতিক পাসপোর্টের রহস্য: কীভাবে পেলেন এই বিশেষ মর্যাদা?

  কিং খান খ্যাত শাহরুখ খান ✍️ সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা দেশের বাইরে পা রাখতে হলে পাসপোর্টই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। আমরা অধিকাংশ ভারতীয়ই ব্যবহার করি গাঢ় নীল রঙের পাসপোর্ট, যা সাধারণ নাগরিকদের জন্য নির্ধারিত। কিন্তু আপনি কি জানেন, বলিউডের ‘কিং খান’ শাহরুখ খানের পাসপোর্টের রং নীল নয়, বরং মেরুন বা লালচে? এই তথ্য অনেককে চমকে দিতে […]

 

কিং খান খ্যাত শাহরুখ খান

✍️ সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা


দেশের বাইরে পা রাখতে হলে পাসপোর্টই সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। আমরা অধিকাংশ ভারতীয়ই ব্যবহার করি গাঢ় নীল রঙের পাসপোর্ট, যা
সাধারণ নাগরিকদের জন্য নির্ধারিত। কিন্তু আপনি কি জানেন, বলিউডের ‘কিং খান’ শাহরুখ
খানের পাসপোর্টের রং নীল নয়, বরং মেরুন বা লালচে?

এই তথ্য অনেককে চমকে দিতে পারে। তাহলে
প্রশ্ন উঠবে—শাহরুখ খানের পাসপোর্ট মেরুন রঙের কেন?

 

ভারতে তিন
ধরনের পাসপোর্ট

ভারত সরকার তিন ধরনের পাসপোর্ট ইস্যু করে:

  1. নীল পাসপোর্ট (Ordinary Passport): সাধারণ নাগরিকদের জন্য।
  2. সাদা পাসপোর্ট (Official Passport): সরকারি কাজে বিদেশ সফররত সরকারি কর্মকর্তা ও আমলাদের জন্য।
  3. মেরুন বা লালচে পাসপোর্ট (Diplomatic Passport): কূটনৈতিক কর্মকর্তা ও বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত নাগরিকদের জন্য।

শাহরুখ খান কি কূটনীতিক?

না, শাহরুখ খান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের
কোনো কূটনীতিক নন, বা সরকারি চাকুরে নন। তবে, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে তার অসামান্য
অবদান এবং ভারতের সংস্কৃতি ও পরিচিতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার স্বীকৃতি স্বরূপ,
তাকে কূটনৈতিক পাসপোর্ট (Diplomatic Passport) প্রদান করা হয়েছে।

এই ধরনের পাসপোর্ট কেবলমাত্র বিশেষ অবদানের
জন্যই প্রদান করা হয়, যার ফলে বিশ্বের বহু দেশে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্স ছাড়াই যাতায়াত
করা সম্ভব হয়।

 

আরও একটি মর্যাদা:
গোল্ডেন ভিসা

শুধু মেরুন পাসপোর্টই নয়, শাহরুখ খানের
ঝুলিতে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের গোল্ডেন ভিসাও। এই বিশেষ ভিসা তাকে দীর্ঘমেয়াদে
আমিরাতে বসবাস ও ব্যবসার সুযোগ দেয়, এমনকি তা নবায়নের প্রয়োজন ছাড়াও বহুবছর বৈধ থাকে।

 

শাহরুখ খানের মেরুন পাসপোর্ট কেবল একটি
কাগজ নয়—এটি ভারতীয় সিনেমার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রতীক। তার প্রতি রাষ্ট্রীয় এই
সম্মান নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়, যা প্রমাণ করে শিল্প ও সংস্কৃতির শক্তি কখনও কখনও কূটনৈতিক
মর্যাদার কাছাকাছিও পৌঁছে যেতে পারে।

 

মূল লেখাঃ সৌভিক মুখার্জী 

সম্পাদনাঃ আতাউর রহমান খান

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top