সেনানিবাসের গুজব: একটি পর্যালোচনা

DGFI? ISI??

আমার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী সেনাপ্রধানের পরের বড় কর্মকর্তা হলেন চিফ অব জেনারেল স্টাফ (CGS)। সেনাপ্রধানের অর্ডার এক্সিকিউট করেন এ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল (AG) যিনি মেজর জেনারেল পদমর্যাদার লোক। তারপর আছে বিভিন্ন শাখা, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর এবং অন্যান্য ফরমেশন যেমন; কোর, ডিভিশন, ব্রিগেড, ইউনিট ইত্যাদি – যাদের হাতে কমান্ড আছে।

কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল সেনাপ্রধানের অধীনস্থ একজন কর্মকর্তা যার হাতে কমান্ড নাই। তিনি কোনো ফোর্সকে কমান্ড করতে পারেন না। তার কাজ শুধু সেনাবাহিনীর রসদ আহরণ ও সরবরাহ করা। তিনি শুধু সেই কাজে নিয়োজিত অধীনস্থদের কমান্ড করতে পারেন, পুরো ট্রুপসকে নয়।

সেনাসদরে তার সমমর্যাদার আরো ৬-৭ টি শাখার শাখা প্রধানরা আছেন। উপরন্তু বর্তমান যিনি কিউএমজি তিনি অনেক সিনিয়রকে ডিঙ্গিয়ে লে: জেনারেল হয়েছেন। তিনি সেনাপ্রধানের ১০ ব্যাচ (৫ বছর) জুনিয়র। তার তো কমান্ড গ্রহণ বা দখলের কোনো সুযোগই নাই। তাহলে তাকে নিয়ে এতো গুজব ছড়াচ্ছে কেনো?

আল্লাহ মাফ করুন।

2 thoughts on “সেনানিবাসের গুজব: একটি পর্যালোচনা”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top