বাংলার স্বাধীনতা

বঙ্গীয় ‘বদ্বীপে’র বাঙালিদের স্বাধীনতা দিয়ে কি ভুল করেছিলেন
বঙ্গবন্ধু! 
আমরা স্বার্থের দ্বন্দ্বে নিজের মাংস বিক্রী করে প্রতিশোধ
নিতেও দ্বিধা করি না। যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশে মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় এর
প্রতিষ্ঠাতাকে নির্বংশ করে বাঙ্গালীকে স্বাধীনতার স্বাদ থেকে বঞ্চিত করার যেমন
ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করা হয়েছিলো, চুয়াত্তর সৃষ্টি করা হয়েছিলো; তেমনি
দেশকে উন্নয়নের উচ্চমত্রায় আরোহণের স্বপ্ন দেখানো জাতির জনকের কন্যার সফলতাকে
ম্লান করে দেশকে পুনরায় পশ্চাৎমুখী করার ষড়যন্ত্র চারদিকে দানা বেঁধেছে। 
বিংশ শতাব্দীতে মানুষ যেখানে মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য উদঘাটনে
তৎপর, আমরা সেখানে শিক্ষালয়ে ঢিলা-কলুপের ব্যবহার শিক্ষা দেয়ার ক্লাশ করাচ্ছি,
নারীদের বস্ত্রাচ্ছাদিত করার ফতোয়া দিচ্ছি! 
ষড়যন্ত্রকারীদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, সত্যের উপর মিথ্যা
কোনোদিন প্রতিষ্ঠিত হয় না। মিথ্যা নিজেই এক সময় সত্যের কাছে আত্মসমর্পণ করে।
সাময়িক বগল বাজাতে পারবেন, আখেরে ফারুক রশিদের পরিণতি অনিবার্য! 
 অতএব, আগে থেকে সাবধান হওয়াই ভালো। তাতে উভয়ের মঙ্গল।
 
আরও পড়ুনঃ   (১)  ২৬ মার্চ ১৯৭১ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা
                        (২)  ২৫ শে মার্চ কালরাত্রি – ১৯৭১
                        (৩)  “স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ও বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান”
 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top