মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রাক্তন
সাইবার সিকিউরিটি কর্মকর্তা মাইক বেঞ্জ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ২০২১ সালে ইউএসএআইডি
বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অপতথ্য ও তার মোকাবিলা নিয়ে যে প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছিল, সেখানে
প্রধান বক্তা ও প্রশিক্ষক ছিলেন মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
সাইবার সিকিউরিটি কর্মকর্তা মাইক বেঞ্জ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ২০২১ সালে ইউএসএআইডি
বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অপতথ্য ও তার মোকাবিলা নিয়ে যে প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছিল, সেখানে
প্রধান বক্তা ও প্রশিক্ষক ছিলেন মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
প্রশিক্ষণটি আমেরিকান দূতাবাসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে
সহ-প্রশিক্ষক ছিলেন মার্কিন ডিপ স্টেট মিডিয়া ম্যানিপুলেটর ও ফ্যাক্টচেক সংস্থা
PolitiFact-এর নির্বাহী পরিচালক, যারা ফেসবুকের তথ্য নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
মাইক বেঞ্জ প্রশ্ন তোলেন, মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের কী শেখাবেন?
সহ-প্রশিক্ষক ছিলেন মার্কিন ডিপ স্টেট মিডিয়া ম্যানিপুলেটর ও ফ্যাক্টচেক সংস্থা
PolitiFact-এর নির্বাহী পরিচালক, যারা ফেসবুকের তথ্য নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
মাইক বেঞ্জ প্রশ্ন তোলেন, মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের কী শেখাবেন?
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন ২০০১ থেকে
২০০৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি শাসনামলে কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার ছিলেন। এরপর
১৭ ডিসেম্বর ২০০৬ থেকে ৮ জুলাই ২০০৯ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব
পালন করেন, যখন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে।
২০০৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি শাসনামলে কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার ছিলেন। এরপর
১৭ ডিসেম্বর ২০০৬ থেকে ৮ জুলাই ২০০৯ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিবের দায়িত্ব
পালন করেন, যখন বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে।
আহসান
উল হক

