| পাতৌদি রাজ প্রাসাদ |
বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের রয়েছে এক ঐতিহ্যবাহী, গৌরবোজ্জ্বল
বংশ পরিচয়। ভারতের ঐতিহ্যবাহী রাজবংশ পাতৌদি পরিবারের সদস্য সাইফ আলি খান। ভারতের
বিখ্যাত পাতৌদি প্রাসাদটি বর্তমানে সাইফ আলী খানের অধিকারে রয়েছে। সাইফ আলি খান পতৌদি
পরিবারের বর্তমান বংশধর।
পাতৌদি প্রাসাদ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের গুরুগ্রাম জেলার পতৌদি
শহরে অবস্থিত। এটি প্রাক্তন শাসক পরিবার পতৌদি পরিবারের একটি প্রাসাদ। শেষ শাসক নবাব
ইফতিখার আলী খানের পর তার পুত্র সর্বশেষ স্বীকৃত নওয়াব মনসুর আলী খান প্রাসাদটি্র
উত্তরাধিকার হিসেবে মালিক হন। সাইফ আলি খান মনসুর আলি খানের পুত্র।
পাতৌদি পরিবারের সংক্ষিপ্ত পরিচয়
পাতৌদি পরিবার ভারতীয় ইতিহাসের এক অধ্যায়। ভারতের প্রাক্তন পতৌদি
রাজ্যের নবাব এই পরিবারটি পাঁচশত বছর পূর্বে আফগানিস্তান থেকে এসেছিলো বলে ধারণা
করা হয়। ১৮০৪ সালে মোহাম্মদ ফায়েজ
আলী তলব খান পাতৌদি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। ব্রিটিশ শাসনামলে পাতৌদি পরিবার রাজ্য
শাসন করে।
১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হলেও
পরিবারের প্রভাব অব্যাহত থাকে।
মনসুর আলি খান পতৌদি, এই পরিবারের একজন বিখ্যাত সদস্য।
তিনি ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছিলেন। তার স্ত্রী কলকাতার মেয়ে শর্মিলা ঠাকুর
একজন জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী। তাদের পুত্র সাইফ আলি খানও বলিউডের একজন
জনপ্রিয় অভিনেতা।
| মনসুর আলি খান পাতৌদি |
প্রাসাদ।
অধিকার করে রেখেছে। তাদের রাজকীয় ইতিহাস, ক্রীড়া প্রতিভা এবং বলিউডের সাথে
যোগাযোগ এই পরিবারকে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
প্রাক্তন অধিনায়ক
* কারিনা কাপুর : ভারতীয় অভিনেত্রী (সাইফ আলি খানের স্ত্রী)
| সাইফ আলি খানের পরিবারের সদস্য |
পাতৌদি প্রাসাদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
পতৌদি প্রাসাদ। এই প্রাসাদটি ভারতীয় ইতিহাস ও বলিউডের এক অন্যতম আইকন।
নবাব ইফতিখার আলী খান। ইফতিখার আলি খান এবং ভোপালের বেগমের মধ্যে হাই-প্রোফাইল বিয়ের
পরে নবাব অনুভব করলেন, তার নতুন বধূ যেভাবে জীবনযাপনে অভ্যস্ত সেভাবে রাখার জন্য পুরানো
পারিবারিক বাড়িটি যথেষ্ট বড় না। তাই তিনি প্রাসাদটি নির্মাণের
পরিকল্পনা করেন। সেহেতু বলা চলে নবাব ইফতিখার আলি খান তার স্ত্রীর জন্য এই
প্রাসাদটি নির্মান করেছিলেন।
নবাব ইফতিখার আলী খানের অনুরোধে ‘কার্ল মাল্টে ভনের’ সহায়তায় ‘রবার্ট টর রাসেল’ দ্বারা
ইম্পেরিয়াল দিল্লির ঔপনিবেশিক যুগের প্রাসাদের শৈলীতে ভবনটি ডিজাইন করা হয়েছিল।
প্রাসাদটির নির্মান কাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে। প্রাসাদটির স্থাপত্যশৈলী ইংরেজি ও মুঘল
স্থাপত্যের মিশ্রণ।
খানের মালিকানায় রয়েছে। ১০ একর জমির উপর অবস্থিত বিলাসবহুল এই প্রাসাদটিতে
১৫০টিরও বেশি কক্ষ রয়েছে। প্রাসাদটিতে একটি বিশাল বাগান, একটি সুইমিং পুল এবং
একটি টেনিস কোর্ট রয়েছে। প্রাসাদটি রক্ষনাবেক্ষণ ও অন্যান্য কাজের জন্য ১০০ জন কর্মচারী
নিয়োজিত আছে।
কোটি রূপী বলে অনুমান করা হয়। তবে এই মূল্যটি কেবল একটি অনুমান। কারণ এই ধরনের
ঐতিহাসিক প্রাসাদের মূল্য নির্ধারণ করা খুবই কঠিন।
প্রাসাদে এসে থাকেন।
প্রাসাদে।
ব্যবহৃত হতো।
ইতিহাস রয়েছে।
সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত হয়ে পড়ে।
আকর্ষণীয়।
ও বলিউডের এক অন্যতম আইকন। এই প্রাসাদটির রাজকীয় ইতিহাস, সুন্দর স্থাপত্যশৈলী এবং
বলিউডের সাথে যোগাযোগ এটিকে আরো বিশেষ করে তুলেছে।







Leave a Reply